Kolkata News: কলকাতার লজে জলপাইগুড়ির বাসিন্দার রহস্যমৃত্যু ! গতকালই ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন যুবক
Mysterious Death: পুলিশ সূত্রে খবর, লজ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

আবির দত্ত, কলকাতা : কলকাতার লজে জলপাইগুড়ির বাসিন্দার রহস্যমৃত্যু। রক্তাক্ত অবস্থায় দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকালই এই লজে এসে উঠেছিলেন পবন কুমার দাস নামে ওই ব্যক্তি। যে ঘরে পবন কুমার দাস ছিলেন, সেই ঘরে আরও কয়েকজন বাসিন্দা ছিলেন। সেই বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে মৃতের আগে থেকে পরিচিতি ছিল কিনা, তাঁদের সঙ্গে মৃতের কোনও বচসা হয়েছিল কিনা, পবন কুমারকে তাঁর ঘরের বাকিরা কোনও কারণে মারধর করেছিলেন কিনা, মারধরের কারণে এই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে কিনা বা অন্য কোনও কারণ এই ব্যক্তির মৃত্যুর পিছনে রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। আপাতত ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার অপেক্ষা করছেন পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। তারপরেই এগোবে বাকি তদন্ত। জানা যাবে, এই ব্যক্তির মৃত্যুর সঠিক কারণ এবং সময়।
পুলিশ সূত্রে খবর, লজ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। বছর ৩৭- এর এই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়েছে বড়বাজারের নিউ গুজরাত লজ থেকে। পুলিশ সূত্রে খবর, গতকালই গেস্ট হাউসে ঘর ভাড়া নেন তিনি। তদন্তের স্বার্থে লজের সমস্ত সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছেন, এই যুবক অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে ছিলেন মেঝেতে। মুখ দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছিল তাঁর। পুলিশ সূত্রে খবর, গতকাল ওই ঘর থেকে মদের অর্ডারও দেওয়া হয়েছিল। তদন্তের জন্য লজের পাশ থাকা একটি দোকানেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জলপাইগুড়িতে মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।
নারকেলডাঙায় গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যু
কয়েকদিন আগেই নারকেলডাঙায় রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে এক গৃহবধূর। মৃতার নাম শ্বেতাপ্রসাদ সাউ। মৃতার পরিবার বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। শ্বেতার বাপের বাড়ির সদস্যদের অভিযোগ, শ্বেতা পরপর ২ বার দুই কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার জন্যই পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে তাঁকে। পুত্র সন্তানের জন্ম দিতে না পারায় অনেকদিন ধরেই অত্যাচার চলত শ্বেতার উপর। এই গোটা ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে নারকেলডাঙা থানার পুলিশ। পরবর্তীতে গ্রেফতার হন মৃতার স্বামী। শ্বেতার বাপের বাড়ির লোকেরা আরও অভিযোগ করেছেন যে, শ্বেতার স্বামীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। সেই নিয়ে শ্বেতা প্রতিবাদ করাতেও তাঁর উপর অত্যাচার চালানো হয়। অভিযোগ, শ্বেতা পরপর ২ বার কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ায় নাকি আবার বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্বেতার স্বামী। এমনই গুরুতর অভিযোগ করেছেন শ্বেতার বাপের বাড়ির দিকের এক আত্মীয়।






















