KMC Councilor Arrested: তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার আরেক কাউন্সিলর, ধৃত তাঁর স্বামীও
TMC Councilor Arrested: কলকাতার পুরসভার বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই তালিকায় এবার নাম জুড়ল ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্য এবং তাঁর স্বামীর।

পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা : তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার আরেক কাউন্সিলর। এবার গ্রেফতার ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্য। তাঁর স্বামীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। ওয়াটগঞ্জ থানার পুলিশ এই ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন যে তোলাবাজি আর চলবে না। ইতিমধ্যেই তোলাবাজির অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ তৃণমূল কাউন্সিলর, কেউ পঞ্চায়েত সদস্য, কেউ ব্লক সভাপতি, কেউ বা প্রাক্তন বিধায়ক কিংবা মন্ত্রী। কলকাতার পুরসভার বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই তালিকায় এবার নাম জুড়ল ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুস্মিতা ভট্টাচার্য এবং তাঁর স্বামীর।
সম্প্রতিই কলেজ স্ট্রিট থেকে কলকাতা পুরসভার আরেক কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করেছে জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। রবিবার সাতসকালে মহম্মদ জসিমউদ্দিনের বাড়িতে যায় জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা অপেক্ষার পর চাবিওয়ালা ডেকে তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়ির একটি দরজা খোলায় পুলিশ। এরপর আরেকটি দরজা নিজেই খোলেন জসিমউদ্দিন। বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিন।
সব্যসাচীকে দেখে ফের ডিম ছুড়লেন বিক্ষোভকারীরা, আদালত থেকে বের করার সময়েও তীব্র জনরোষ
২০২৩ সালে নাবালিকা নির্যাতনের অভিযোগে নাম জড়ায় কাউন্সিলরের। সম্প্রতি অভিযোগ ওঠে ওই নির্যাতিতা, যিনি এখন তরুণী কলেজ পড়ুয়া, তাঁর পরিবারকে অভিযোগ তুলে নেওয়ার, মামলা তুলে নেওয়ার চাপ সৃষ্টি করে। এখানেই শেষ নয়। জসিমউদ্দিন গ্রেফতার হওয়ার আগের দিন ওই তরুণী যখন রাস্তা দিয়ে আসছিলেন তখন পথ আটকে তাঁকে হেনস্থা করা হয়, মারধর করার অভিযোগ ওঠে এবং মামলা তুলে নিতে বলা হয়। হাসপাতালে ভর্তি হন তরুণী। এইসব কাণ্ড ঘটিয়েছে জসিমউদ্দিনের সাঙ্গপাঙ্গরা। এই অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনার দিন রাতে এলাকায় তাণ্ডব চালায় তারা। ভাঙচুর করা হয় সিসি ক্যামেরা। রাতে এলাকায় যায় পুলিশ। ৮ জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়। ১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরের দিন সকালে এই ঘটনা সংক্রান্ত মামলার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করতে জসিমউদ্দিনের বাড়ি যায় পুলিশ। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করিয়ে রাখা হয় তাঁদের। অবশেষে সাড়ে ৫ ঘণ্টা পর বাড়ি থেকে কলকাতা পুরসভার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ জসিমউদ্দিনকে বের করে নিয়ে যায় পুলিশ।





















