Suvendu Adhikari : পুলিশকর্মীদের জন্য দুর্গাপুজোর 'গিফ্ট' ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
West Bengal Police : এদিন ভবানীভবনে 'রেন প্রোটেকশন গিয়ার কিট' বিতরণ অনুষ্ঠান উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা : পুলিশকর্মীদের জন্য দুর্গাপুজোর 'গিফ্ট' ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। এদিন ভবানীভবনে 'রেন প্রোটেকশন গিয়ার কিট' বিতরণ অনুষ্ঠান উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী খালি হাতে আসবেন ভবানীভবনে এটা হতে পারে না। কিছু তো দিতে হবে। আপনাদের রেশনে ২০১৭ সালে ১৫০০ টাকা ভাতা ছিল। আমি পরে আরও বাড়িয়ে দেব। কিন্তু, আপনাদের আমি দুর্গাপুজোর গিফ্ট দিয়ে গেলাম। অক্টোবর মাস থেকে ৫০০ টাকা বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করে দিয়ে গেলাম।"
সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তুলে ধরেন তারাতলা ও বারুইপুরের ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আপনাদের সব কাজে আমার নজর রয়েছে। আপনারা তারাতলায় যেভাবে ১৭টা মানুষকে বাঁচিয়েছেন, হ্যাটস অফ টু কলকাতা পুলিশ। রাজ্য পুলিশ যেভাবে বারুইপুরের ঘটনায় জিরো টলারেন্স দেখিয়েছে, হ্যাটস অফ টু ডিজিপি অ্যান্ড হিজ টিম। মা-বোন-কন্যাদের ওপর অত্যাচার...আপনার যা করার করবেন, আইন মেনেই করবেন...আমি আছি। আমরা আর অভয়া চাই না। বারুইপুরের ঘটনা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। কিন্তু, সরকার চুপ করে থাকেনি। পুলিশ পুলিশমন্ত্রীর মুখ উজ্জ্বল করেছে। আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ।" তাঁর সংযোজন, "আজ সকালেও কলকাতা পুলিশ এবং এসটিএফ কলকাতার...পুরুলিয়া জেলা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। একেবারে সিনেমার কায়দায় গাঁজা ভর্তি ট্রাক আটকেছে। এই সামাজিক ব্যাধি প্রচুর ছড়িয়ে পড়েছে। গাঁজা, চরস, হেরোইন, ফেন্সিডিল, ড্রাগের জন্য গোটা সমাজ ব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পুলিশকেই এর সমাধান করতে এগিয়ে আসতে হবে। জনজাগরণের কাজ করতে হবে।"
এর পাশাপাশি পুলিশের অন্য দায়িত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "পুলিশকে শুধু আইন-শৃঙ্খলা দেখলে হবে না, কলকাতা পুলিশের একটা প্রকল্প আছে। যে সমস্ত বয়স্ক লোক রয়েছেন, সেই বয়স্ক লোকদের যাদের দেখাশোনার কেউ নেই, ছেলে-মেয়ে বিদেশে চলে গেছেন, একাই থাকেন, আপনাদের একটা স্কিম আছে...ডিফাং হয়ে আছে। দেখবেন...কলকাতা পুলিশের যেখানে যেখানে ওসি-রা, সার্জেন্ট, অফিসাররা আছেন, ওই এলাকায় বয়স্ক মানুষরা...তাঁদের সাহায্য করবেন। এরজন্য আপনাদের আমরা দেখব।"
পুলিশকর্মীদের আশ্বাস দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমি কিছুদিনের মধ্যে এমন একটা বোর্ড তৈরি করে দেব, আপনাদের মতামত নিয়ে...যারা রাজনীতি করবেন না...যে পার্টিতে আমি আছি, তার শাখা সংগঠন হবে না। কিন্তু, প্রকৃতপক্ষে পুলিশ কর্মচারীদের ওয়েলফেয়ারের জন্য কাজ করবে। শুধু ওয়েলফেয়ার মানে বেতন বৃদ্ধি নয়, আরও আপনাদের স্পোর্টসম্যান হতে হবে। খেলায় আরও যোগ দিতে হবে। কোন মাঠ ব্যবহার করবেন বলুন...আমি ব্যবস্থা করে দেব। কতগুলো জিম চান বলুন আমি করে দেব। খেলাধূলার সরঞ্জাম কত চান বলুন, আমি করে দেব। আগামীদিনে আপনাদের কল্যাণ পর্ষদ করে দেব। সেটা আপনাদের কল্যাণের কাজ করবে।"























