Kolkata Security Increased : হাওড়া স্টেশন চত্বরে নাকা তল্লাশি, RPF-এর পাশাপাশি নজরদারি বম্ব স্কোয়াডেরও; হাই অ্যালার্ট শিয়ালদায়ও
Security Concern: রেলমন্ত্রকের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আপাতত হাওড়া ও শিয়ালদা, দুই স্টেশনে RFF কর্মীদের কাজের সময় ৮ ঘণ্টা থেকে বাড়িয়ে ১২ ঘণ্টা করা হয়েছে।

শিবাশিস মৌলিক ও সুনীত হালদার, কলকাতা : দিল্লি বিস্ফোরণের ৪ দিনের মাথায় জম্মু-কাশ্মীরের নওগাম থানায় মজুত বিস্ফোরক ফেটে ৯ জনের মৃত্যু হয়। এই প্রেক্ষাপটে এরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে বাড়ানো হল নজরদারি। হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশনে নাকা চেকিংয়ের পাশাপাশি গাড়িতে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে চালানো হচ্ছে তল্লাশি। RPF কর্মীদের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তাঁদের ডিউটি টাইম বাড়িয়ে ১২ ঘণ্টা করার নির্দেশ এসেছে রেলমন্ত্রকের তরফে। Howrah and Sealdah Stations
দিল্লির লালকেল্লার কাছে হাইপ্রোফাইল জোনে ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ। তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই পোক্ত হচ্ছে রাজধানীর বুকে সন্ত্রাসের সূত্র। তার মধ্যে আবার বাজেয়াপ্ত হওয়া বিস্ফোরক ফেটে কার্যত ভস্মীভূত হয়ে গেছে শ্রীনগরের নওগাম থানা। এই প্রেক্ষাপটে দেশজুড়ে নিরাপত্তার কড়াকড়ির মধ্যে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে শিয়ালদা ও হাওড়া স্টেশন চত্বরে।
তল্লাশি চালানো হচ্ছে স্টেশনমুখী গাড়িগুলিতে। যাত্রীদের ব্যাগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সন্দেহজনক কিছু মনে হলেই চলছে জিজ্ঞাসাবাদও। দেশের মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ততম রেল স্টেশন হাওড়া। ভিনরাজ্য থেকে এরাজ্যে ঢোকার অন্যতম গেটওয়ে। দিল্লির বিস্ফোরণের পর টালমাটাল পরিস্থিতিতে হাওড়া স্টেশন চত্বরেও চলছে নাকা তল্লাশি। RPF-এর পাশাপাশি নজরদারি চালাচ্ছে বম্ব স্কোয়াড।
রেলমন্ত্রকের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আপাতত হাওড়া ও শিয়ালদা, দুই স্টেশনে RFF কর্মীদের কাজের সময় ৮ ঘণ্টা থেকে বাড়িয়ে ১২ ঘণ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সব স্টেশনেই সিসি ক্যামেরার নজরদারির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলে রেল সূত্রে খবর।
দিল্লি বিস্ফোরণের আবহে গত শুক্রবার রাত ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ নওগাম থানায় বিস্ফোরণ হয়। জম্মু কাশ্মীর পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকের ফরেন্সিক ও রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য গত দু’দিন ধরে নমুনা সংগ্রহের কাজ চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গেই নমুনা সংগ্রহের কাজ চলছিল। কিন্তু শুক্রবার রাতে সেই কাজ করার সময়ই দুর্ভাগ্যবশত বিস্ফোরণ ঘটে যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন, অত রাতে কেন নমুনা সংগ্রহের কাজ চলছিল ? এই কাজ কি দিনে করা যেত না ? রাতে কাজ করার ঝুঁকি কেন নেওয়া হল ?
প্রথমে দেশের রাজধানীতে বিস্ফোরণ ঘটনায় বেশ কয়েকজনের প্রাণহানি। তার চার দিনের মাথায় নওগাম থানায় এই বিস্ফোরণ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।






















