Sona Pappu Case: সোনা পাপ্পুর মামলায় কল্যাণ শুক্লাকে তলব
ED On Sona Pappu Case : সোনা পাপ্পুর মামলায় ধৃত ব্যবসায়ী জয় কামদারের সূত্র ধরে কল্যাণ শুক্লাকে তলব।

কলকাতা: রাজ্যে পালা বদলের পর একের পর এক মামলায় চলছে তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি। আর এবার সোনা পাপ্পুর মামলায় ধৃত ব্যবসায়ী জয় কামদারের সূত্র ধরে কল্যাণ শুক্লাকে তলব। আজ ED দফতরে হাজিরা দেয় সে।
আরও পড়ুন, ভয়ে খাটের নীচে লুকোলেন রাজ্যের এই তৃণমূল নেতা, কোন অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ ?
ED সূত্রে খবর, মূলত কল্যাণ শুক্লার আরবানার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে জয় কামদারের সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক তথ্য ও সূত্র মিলেছিল । জয় কামদারের মোবাইল ফোনের চ্যাট হিস্ট্রিতেও কল্যাণ শুক্লা সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য মিলেছিল। তল্লাশিতে মেলা তথ্য যাচাই করতেই কল্যাণ শুক্লাকে তলব করা হয়। তাঁর বাজেয়াপ্ত করা ৩টি মোবাইলে থাকা নথি নিয়েও করা হবে জিজ্ঞাসাবাদ, খবর ED সূত্রে।
৭ কোটির বেশি মূল্যের সম্পত্তি কেনা হয়েছিল মাত্র ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকায়। প্রোমোটার, পুলিশের মদতে এভাবেই ভয় দেখিয়ে জমি দখল করতেন বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপপু। সম্প্রতি আদালতে এমনই দাবি করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রোমোটার, পুলিশ এবং পারসিকিউটর অর্থাৎ নির্যাতনকারী। এই PPP মডেলে চলত জমি দখলদারির সিন্ডিকেট। সোনা পাপপুকে আদালতে পেশ করে, এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কাঁকুলিয়ায় বোমা-গুলিকাণ্ডে নাম জড়ানোর পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপপু। রাজ্য়ে পালাবদলের পর সোমবার তিনি নিজেই যান ED দফতরে। ৯ ঘণ্টা জেরার পর তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।
মঙ্গলবার বিধাননগর হাসপাতালে ঢোকার সময় সোনা পাপপুকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। কোটি কোটি টাকা প্রতারণার মামলায় এর আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল ব্যবসায়ী জয় এস কামদার ও কলকাতা পুলিশের DC শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে। ব্যবসায়ী, পুলিশ কর্তা ও সোনা পাপ্পুর ইযোগসাজশে জমি দখলদারির সিন্ডিকেট চলত বলে আগে আদালতে দাবি করে ইডি।
এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দাবি, প্রবাসী বা প্রবীণ নাগরিকদের সফট টার্গেট করা হত। তাঁদের বিরুদ্ধে ভুয়ো মামলা করে থানায় ডেকে হয়রানি করা হত। নেপথ্যে থেকে তাতে মদত দিতেন কলকাতা পুলিশের DC শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস। আর এই প্রোমোটার, পুলিশ কর্তার হয়ে ফোরফ্রন্টে থেকে কাজ করত সোনা পাপ্পু। বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুই সামনে থেকে হুমকি দিয়ে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করত। তারপর নামমাত্র টাকায় হাতিয়ে নেওয়া হত জমি।ED-র দাবি, এসপি কনস্ট্রাকশন নামের কোম্পানিতে আড়াই বছরে ২ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা নগদ জমা পড়েছে। লেনদেন হয়েছে মোট ১৫ কোটি টাকার। সোনা পাপ্পুর স্ত্রী অ্যাকাউন্টে মোট ৬ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে।






















