Kolkata Hotel Fire: বড়বাজারে অগ্নিকাণ্ডে মৃত ১৪, ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর দফতরের
Rituraj Hotel Fire: অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। পাশাপাশি মৃতদের পরিবার পিছু এবং আহতদের আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করা হয়েছে।

কলকাতা: বড়বাজারের মেছুয়া ফলপট্টির ৬ তলা হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যমিছিল (Kolkata Hotel Fire) । আগুনের জেরে এখনও পর্যন্ত দুই শিশু, এক মহিলা-সহ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রবল ধোঁয়ায় গ্যাস চেম্বারে পরিণত হওয়া হোটেলে দমবন্ধ হয়ে একের পর এক মৃত্যু হয়। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করল প্রধানমন্ত্রীর। ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সাহায্য়ের ঘোষণাও করা হয়েছে।
আর্থিক সাহায্য়ের ঘোষণা: অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করল প্রধানমন্ত্রীর দফতর। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে এক্স হ্যান্ডলে লেখা হয়েছে, কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোকাহত। যাঁরা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন তাঁদের সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য় দেওয়া হবে।
Anguished by the loss of lives due to a fire mishap in Kolkata. Condolences to those who lost their loved ones. May the injured recover soon.
— PMO India (@PMOIndia) April 30, 2025
An ex-gratia of Rs. 2 lakh from PMNRF would be given to the next of kin of each deceased. The injured would be given Rs. 50,000: PM…
মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছিল বড়বাজারের ৬ তলা ঋতুরাজ হোটেল। ইটের গাঁথনি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল হোটেলের ঘরের সমস্ত জানলা। ফলে আগুন লাগার পর ধোঁয়া বের হওয়ার উপায় ছিল না। কার্যত গ্যাস চেম্বারে পরিণত হয় গোটা হোটেল। মৃতদের মধ্যে ৮ জনের দেহ শনাক্ত করা হয়েছে। হোটেল থেকে অনেককেই উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় RG কর, NRS ও কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। ২ জন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। মৃতদের মধ্য়ে অনেকেই ভিনরাজ্যের বাসিন্দা। প্রাণ বাঁচাতে পাইপ বেয়ে নামতে গিয়ে মৃত্যু হয় একজনের। কেউ কেউ ছাদের কার্নিস থেকে পড়ে যান। অন্ধকারে অনেকে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামার চেষ্টা করেছিলেন। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়। হোটেলের ঘরে, শৌচাগারে,করিডরে এবং সিঁড়িতে দেহ মেলে। ৬ নম্বর মদনমোহন বর্মন স্ট্রিটের ঋতুরাজ হোটেলের একতলায় দোকান ও গুদাম রয়েছে। ওপরের অংশে হোটেল, ৪৭টি ঘর রয়েছে। এর মধ্যে ৪২টি ঘরে ৮৮ জন আবাসিক ছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, রাত সোয়া ৮টা নাগাদ দোতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। সেখান থেকেই আগুন ছড়ায়। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।






















