Dilip On LPG Crisis: "ভোটের ফল বেরোলে সবার গ্যাস বেরিয়ে যাবে.." ! LPG ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর মহামিছিল প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপের
Dilip On Mamata LPG Protest: LPG ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর মহামিছিল প্রসঙ্গে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের।

কলকাতা : ভোটের ফল বেরোলে সবার গ্যাস বেরিয়ে যাবে। LPG ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর মহামিছিল প্রসঙ্গে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের। এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, 'যারা যারা গ্যাস নিয়ে প্রতিবাদ করছে, ইলেকশনে সবার গ্যাস বেরিয়ে যাবে। আমি বলে দিচ্ছি। এটা একটা সাময়িক সমস্যা। সারা বিশ্ব তার জন্য ভুগছে। একটু পাশের দেশগুলির একটু খোঁজ করুন না, গ্যাসের কী অবস্থা আছে। দিব্যি তেলে জলে আছেন, তাই লাফাচ্ছেন। মোদি আছেন, তাই করে খাচ্ছেন, না হলে হাহাকার পড়ে যেত। ইচ্ছে করে ক্রাইসিস তৈরি করা হচ্ছে, মানুষকে ভয়া দেখানো হচ্ছে। '
আরও পড়ুন, ভোটের দিন ঘোষণা হতেই মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র ভবানীপুরে টহল কেন্দ্রীয় বাহিনীর
সম্প্রতি মোদি সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে দিল্লিতে সংসদে সরব হয় তৃণমূল
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে ভারতে গ্যাস সঙ্কটের জন্য, সম্প্রতি মোদি সরকারকে কাঠগড়ায় তুলে দিল্লিতে সংসদে সরব হয় তৃণমূল। তৃণমূলের লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদরা মকর দ্বারের সামনে সকাল সাড়ে দশটা থেকে LPG LPG স্লোগান তুলে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিল। আধঘণ্টা ধরে চলা তৃণমূল সাংসদদের ওই বিক্ষোভে অন্যান্য দলের কয়কজন সাংসদও যোগ দিয়েছিলেন। দেশে LPG, CNG-র সঙ্কট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সংসদে এসে জবাবদিহি করতে হবে। এই দাবিতে সুর চড়িয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদরা। পাল্টা জবাব দিয়েছিল বিজেপি। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের কটাক্ষ, পর্দা উঠিয়ে আর পর্দা নামিয়ে ধর্মতলায় ধর্না নাটক শেষ হয়েছে। ভোট শেষে তৃণমূলও রাজ্য থেকে গ্যাসের মতো উবে যাবে।
" আমেরিকা-ইজরায়েল এবং তাঁদের মিত্র দেশগুলি ছাড়া বিশ্বের সব দেশের খুলে দেওয়া হয়েছে হরমুজ প্রণালী"
সম্প্রতি গ্লোব আই নিউজ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ইরান ঘোষণা করেছে , আমেরিকা-ইজরায়েল এবং তাঁদের মিত্র দেশগুলি ছাড়া বিশ্বের সব দেশের খুলে দেওয়া হয়েছে হরমুজ প্রণালী ! মূলত ,খার্গ দ্বীপের অবস্থান হরমুজ় প্রণালী থেকে ৪৮৩ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। মূল ভূখণ্ড থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে হলেও ইরানের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপ। কারণে, ইরানের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশ রফতানির আগে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রথমে এই দ্বীপে আসে। সেখান থেকে তার পরে সেগুলি তোলা হয় জাহাজে।যুদ্ধের আবহে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায়, বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ নিয়ে তৈরি হয় ঘোর সঙ্কট। তার মধ্যেই স্বস্তির খবর।























