SIR Hearing : এবার রাজ্যের মন্ত্রীকে SIR শুনানির নোটিস ! রাজনৈতিক হেনস্থার অভিযোগে ধর্নায় তাজমুল হোসেন
Harischandrapur MLA : বিধায়কের কাছে শুনানির নোটিস যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়ে গেছে।

সোমক লাহিড়ি, হরিশ্চন্দ্রপুর : এবার রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেনকে SIR শুনানির নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়কের কাছে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। নোটিস পাওয়ার পর রাজনৈতিক হেনস্থার অভিযোগ তুলে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন তাজমুল হোসেন। সঙ্গে শামিল হন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বিধায়কের কাছে শুনানির নোটিস যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে শোরগোল পড়ে গেছে।
বিজেপির বিরুদ্ধে হয়রানি-চক্রান্তের অভিযোগে সরব হয়েছেন মন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্থা করার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে। তারই প্রতিবাদে হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন তাজমুল হোসেন। সেখানকার স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা লাগাতার বিক্ষোভ দেখিয়ে যাচ্ছেন। বিধায়কের আরও অভিযোগ, এর পিছনে রয়েছে বিজেপি। পাল্টা বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তাঁদের নেতৃত্ব এবং আত্মীয়দেরও নোটিস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু, তাঁরা কোনও কিছু বলেননি এনিয়ে। সেক্ষেত্রে কোনও কাগজে গরমিল রয়েছে। তাই নোটিস পাঠানো হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিধায়ক বলেন, "গতকাল রাতে আমি যখন মোবাইল খুলে দেখতে পেলাম যে আমার নাম হিয়ারিংয়ে এসেছে। এই নোটিস আসার ফলে আমি খুবই ক্ষিপ্ত। ১৯৭৮ সাল থেকে পঞ্চায়েত থেকে দাঁড়িয়ে...২০০৩ সালে নির্বাচিত হলাম। ২০০৬ সালে আমি বিধায়ক নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিলাম। নির্বাচন কমিশন সমস্ত ডকুমেন্ট দেখার পরে ভোটে দাঁড়িয়েছিলাম। যদি আমার কোথাও খুঁত থাকত, কোনও ভুল থাকত...তাহলে আমি দাঁড়াতে পারতাম না। তা সত্ত্বেও আমাকে এখানে শুনানি করতে হচ্ছে। চারবার প্রতিনিধি হিসাবে দাঁড়িয়েছি এবং তিনবারের বিধায়ক। তা সত্ত্বেও আমাকে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তাহলে বুঝতে পারছেন যে আমাদের সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হচ্ছে।" বিধায়ক জানিয়েছেন, ২০০২ সালের তালিকায় তাঁর বাবার নাম ছিল দিদার বক্স। সেটাই আসল নাম। কিন্তু, পরবর্তী সময়ে দেখা যায়, তাঁর বাবার নাম হয়ে যায় দিদার হোসেন। তিনি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছিলেন নামটা সঠিক করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু, তারা গা করেনি বলে অভিযোগ তাঁর। এরপর তিনি বেশ কয়েকবার নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর পাসপোর্ট রয়েছে। অন্যান্য কাগজপত্র রয়েছে। তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেনস্থা করার জন্যই এই নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে বিধায়কের অভিযোগ।
SIR-শুনানিতে ডাক পেয়েছেন আইআসএফ বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকিও। আগামী ২৭ জানুয়ারি ডাকা হয়েছে ভাঙড়ের বিধায়ককে। জাঙ্গিপাড়া BDO অফিসে শুনানিতে ডাকা হয়েছে বিধায়ককে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, তথ্যে অসঙ্গতি আছে । এখন নৌশাদ কী করেন, সেটাই দেখার।






















