(Source: ECI/ABP News)
Malda News: আগুন পোহাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধার
Woman Died In Fire : পরিবারের অনুমান, ঘরে আগুন পোহাচ্ছিলেন ওই বৃদ্ধা। সেখান থেকেই অগ্নিসংযোগ হয়ে যায়।ঘরের মধ্যে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান ওই বৃদ্ধা।..

করুণাময় সিংহ, মালদা: আগুন পোহাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু বৃদ্ধার ( Tragic Incident in Malda )। অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে পুরো বাড়ি। ঘরের মধ্যে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান ওই বৃদ্ধা। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ওই বৃদ্ধার নাম মালতি রাণী দাস বয়স ৮০। বাড়ি গাজোল থানার অন্তর্গত পাওয়ার হাউস এলাকায়।
পরিবারের অনুমান, ঘরে আগুন পোহাচ্ছিলেন ওই বৃদ্ধা। সেখান থেকেই অগ্নিসংযোগ হয়ে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে গাজোল থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ছুটে আসেন ব্লক যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক-সহ ব্লক বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা দফতরের আধিকারিকরাও। ঘটনাস্থলে আনা হয় দমকলের একটি ইঞ্জিন। যদিও রাস্তা না থাকার কারণে ঘটনাস্থলে পৌঁছোতে পারেনি দমকলের ইঞ্জিনটি। স্থানীয়দের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিদগ্ধ মৃত বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুলিশ।
অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুর ভুরি ভুরি ঘটনা ঘটেছে আগেও এরাজ্যে। বাইশ সালে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল গোসাবার (gosaba) বালি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজয়নগর কলোনি এলাকায়।পুলিশ সূত্রে খবর এসেছিল, বিজয়নগর কলোনির বাসিন্দা সঞ্জয় মণ্ডল ঘরের মধ্যেই সাবিত্রীকে জ্বলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়েছিলেন। চিৎকার শুরু করেছিলেন তৎক্ষণাৎ। ছুটে এসেছিলেন পড়শিরা। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুনও নেভানো হয়।
পুলিশকে খবর দিলে তারাই অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় ওই মহিলাকে উদ্ধার করে গোসাবা ব্লক গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ততক্ষণে যা ঘটার ঘটে গিয়েছিল। চিকিৎসকরা যুবতীকে মৃত বলে ঘোষণা করেছিলেন। পুলিশ এর মধ্যেই মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছিল। প্রাথমিক ভাবে অনুমান ছিল, মায়ের সঙ্গে অশান্তি ছিল ছেলের। সে জন্যই তাঁকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল। তবে কী কারণে মৃত্যু, তা তদন্ত করে দেখেছিল গোসাবা থানার পুলিশ।স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় বিহ্বল ছিল গোটা এলাকা।
আরও পড়ুন, করসেবক ছিলেন সেসময়, রামমন্দির উদ্বোধনের আমন্ত্রণ পেলেন আসানসোলের অভয়
এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে একটি পুকুর থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল এলাকায়। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছিল, মৃতের নাম শান্তনু মণ্ডল। প্রতিবেশীরাই পুকুরের মধ্যে বছর তিরিশের ওই যুবকের দেহ ভাসতে দেখেন। কীভাবে মৃত্যু, খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করে ক্যানিং থানার পুলিশ। একই মাসে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে ঘরে আটকে রেখে অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার পথের দাবি এলাকায়। পরে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করেছিল মহিলাকে। গ্রেফতার করা হয়েছিল অভিযুক্ত যুবককে।























