Malda Water Logging: ভেসেছে মালদার ভূতনির চর, ত্রাণ পেতে ঝাঁপিয়ে পড়ছে জলবন্দিরা, ভয়াবহ ছবি প্রকাশ্য়ে
Malda Water Logging Relief Fund struggle: এখনও জলবন্দি মালদার মানিকচক ব্লকের তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রায় তিন লক্ষ মানুষ, ত্রাণ পেতে ঝাঁপিয়ে পড়ছে জলবন্দিরা

সোমক লাহিড়ি ও বিটন চক্রবর্তী, মালদা: নতুন করে জল বাড়েনি গঙ্গায়। কিছুটা কমেছে ফুলাহার ও কোশি নদীর জল। তবে এখনও জলবন্দি মালদার মানিকচক ব্লকের তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রায় তিন লক্ষ মানুষ। চলছে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজ। খোলা হয়েছে ১৯টি ত্রাণ শিবির।
আরও পড়ুন, "আমাকে সামলাতে পারছে না", থানায় হাজিরা দিয়ে বেরিয়েই বললেন কুণাল
যতদূর চোখ যায় শুধু জল। ফুলহার, কোশি আর গঙ্গা নদীর জলে ভেসেছে মালদার ভূতনির চর।আগের থেকে পরিস্থিতির সামান্য় উন্নতি হলেও এখনও জলমগ্ন মানিকচক ব্লকের উত্তর চণ্ডীপুর, দক্ষিণ চণ্ডীপুর ও হীরানন্দপুর পঞ্চায়েত এলাকা।ভয়ঙ্কর এক ছবি। মানুষের চরম দুর্দশা, একটু ত্রাণ পেতে ঝাঁপিয়ে পড়ছে জলবন্দিরা। মাথার ওপর ছাদ নেই, পেটে খাবারটুকু তো চাই। NDRF কর্মী চিন্ময় সাহা বলেন, পরিস্থিতি আগে যা ছিল, তার থেকে অনেক উন্নতি হয়েছে। কিন্তু এখনও পুরোপুরি জল কমেনি। এখানে সমস্যা বলতে, আমরা এখানকার লোকাল নই, আমরা সব সময় গাইড পাচ্ছি না। কোথাও বাঁশ, কাঁটাতারের বেড়া, সবজি খেতের চারিপাশে যেগুলো দেওয়া আছে - সেগুলো আমাদের বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হচ্ছে। সম্পূর্ণ কমতে প্রায় মাস লেগে যাবে।
নতুন করে জল বাড়েনি গঙ্গায়। কিছুটা জল কমেছে ফুলাহার ও কোশি নদীতে। তবে এখনও জলবন্দি প্রায় তিন লক্ষ মানুষ। মালদার ভূতনির চরের বাসিন্দা বলেন,'অন্যান্য বারের থেকে ভালই আছে ব্যবস্থা। অনেক চিড়া দিয়েছে। এর আগে গুড় দিয়ে গেল কালকে।' জেলায় তৈরি করা হয়েছে ১৯টি ফ্লাড সেন্টার। সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। মালদার ভূতনির চরের বাসিন্দা তিমিকা খাতুন বলেন, কী খাচ্ছি? শুধু ভাতটা দিয়েছে। ঘেঁটে রান্না করে দিয়েছে, কোনও সবজি ভাল করে দেয়নি। মুড়িও পাওয়া যাচ্ছে না।
লাগাতার উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী ও এনডিআরএফ। পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছে প্রশাসন।সেচ ও জলসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী অরূপ দাস, এর একটা সার্বিক সমাধানে আমরা বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ সংস্থা, IIT- এদেরকে দিয়ে স্টাডি করিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে একটা প্রজেক্ট জমা দিয়েছি। এখানে ঝাড়খণ্ডের সকরিনালা দিয়ে যদি আমরা কিছুটা জলকে বাইপাস করিয়ে নিয়ে আসতে পারি, তাহলে মূল স্রোতটা অনেকটা কমবে। আগে তো সেভাবে আন্তঃরাজ্য নদী কমিশনে আমাদের রাজ্য তেমনভাবে অংশ নিত না বা কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে খুব বেশি যোগাযোগ রাখত না। আমরা আসার পরে এগুলোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। জল কিছুটা কমলেও, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে প্রায় এক মাস লাগবে বলে মনে করছেন জেলা প্রশাসনের কর্তারা।
Before You Go
Fake Doctors: ভুয়ো ডাক্তার মামলায় বিধাননগর দক্ষিণ থানায় ৪টি ধারায় FIR





















