Suvendu Adhikari on TMC: 'পশ্চিমবঙ্গের ভয়াবহ চিত্র', হঠাৎ একথা কেন বললেন শুভেন্দু অধিকারী?
Suvendu Adhikari: "অনেকদিন ধরেই পার্শ্ব শিক্ষকরা বিকাশ ভবনের সামনে বসে আছে। এটা পশ্চিমবঙ্গের ভয়াবহ চিত্র। বাংলা চাকরি চায়, বাংলা নারীসুরক্ষা চায়। বাংলা অনুপ্রবেশকারী মুক্তি চায়", মন্তব্য শুভেন্দুর।

Suvendu Adhikari on TMC: আজ ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মূলত এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা (SIR Final List) থেকে বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার প্রতিবাদে ধর্নায় বসেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এদিন ধর্নামঞ্চের সামনে হঠাৎ হাজির হন প্যারা টিচারদের সংগঠনের সদস্যরা। বেতন পরিকাঠামো, স্থায়ীকরণ-সহ একাধিক দাবিতে পোস্টার নিয়ে ধর্নামঞ্চের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। পোস্টার হাতে ধর্নামঞ্চের সামনে বিক্ষোভ দেখান প্যারা টিচারদের সংগঠনের সদস্যরা। আর এই ঘটনায় নাম না করে কার্যত ফের একবার 'বদল' এর ডাক দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
হঠাৎ এমন ঘটনায় হকচকিয়ে যান ধর্নামঞ্চ ও আশেপাশে উপস্থিত সকলে। ঘটনার রাশ নিজের হাতে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "চাইলে অন্য জায়গায় নিয়ে তো বিক্ষোভ দেখাতে পারতেন। যান মোদিকে নিয়ে দেখান, অমিত শাহকে গিয়ে দেখান।" আর এপ্রসঙ্গে এবার মুখ খুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, "অনেকদিন ধরেই পার্শ্ব শিক্ষকরা বিকাশ ভবনের সামনে বসে আছে। এটা পশ্চিমবঙ্গের ভয়াবহ চিত্র। বাংলা চাকরি চায়, বাংলা নারীসুরক্ষা চায়। বাংলা অনুপ্রবেশকারী মুক্তি চায়। বাংলা টাটা-কে ফেরাতে চায়। বাংলার কৃষক ৩১০০ টাকা ক্যুইন্টাল ধান সরকার কিনুক চায়। বাংলার কৃষক আলুর সঠিক দাম পাক চায়। বাংলার কৃষক এই নদীগুলি থেকে বালি চুরি বন্ধ হোক চায়। বাংলা পরিত্রাণ চায়। আর তাই সবাই আওয়াজ দিচ্ছে - পাল্টানো দরকার চাই বিজেপি সরকার।"
আজ মূলত স্থায়ীকরণ, বেতন কাঠামো সংশোধন-সহ একাধিক দাবিতে হাতে হাতে পোস্টার নিয়ে ধর্মতলার ধর্নামঞ্চের সামনে উপস্থিত হন প্যারা টিচারদের সংগঠনের সদস্যরা। কোনও পোস্টারে লেখা '১৫ বছর ক্ষমতা পেলে প্যারা টিচারদের রইলে ভুলে', আবার অন্য এক পোস্টারে লেখা '২২ বছরের শিক্ষকতায় দিন কাটে মোর ভিক্ষা ভাতায়'। মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণে হাত তুলে পোস্টার দেখান তাঁরা।
আকস্মিক এই ঘটনায় ধর্নামঞ্চ থেকেই সুর চড়ান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, "এখন মানুষ মারা যাচ্ছে, এটা রাজনীতি করার সময় নয়। বিজেপির কথায় এসব দয়া করে করবেন না। জায়গাটা খোলামেলা আছে বলে এটা ভাববেন না যে যা ইচ্ছে তাই করা যাবে। এটা কারও কোনও দাবি তোলার জায়গা নয়। এখানে যারা এসেছেন শান্তভাবে থাকতে পারলে থাকবেন। এটা একমাত্র এসআইআরের ও ভোটাধিকারের দাবি। অন্য কোনও ব্যক্তিগত দাবি নয়। রাজনীতি করবেন না।"
এক বিক্ষোভকারী বলেন, "আমরা প্যারা টিচার। আমরা কোনও রাজনীতি করার জন্য আসিনি। আমরা দিদির কাছে দাবি নিয়ে এসেছি। পোস্টারে লিখেছি, দিদি আমাদের বাঁচান। ১০-১২ হাজার টাকা দিয়ে আমাদের সংসার চলছে না। আমরা কোনও রাজনৈতিক দল নই।"























