West Bengal News : মুখ্যমন্ত্রীর কাছে 'কালীঘাট-তৃণমূলের' ৫ বিধায়ক, কী আবেদন ? মদন বললেন, 'ভদ্র আচরণ ছিল'
TMC News : এই বৈঠকে সন্তুষ্ট 'কালীঘাট-তৃণমূলের' বিধায়করা।

কলকাতা : মুখ্যমন্ত্রীর কাছে 'কালীঘাট-তৃণমূলের' বিধায়করা। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করলেন ৫ বিধায়ক কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, মদন মিত্র, আব্দুর রহিম বক্সী ও অশোক দেব। এই বৈঠকে সন্তুষ্ট 'কালীঘাট-তৃণমূলের' বিধায়করা।
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আধঘণ্টা বৈঠক করেন 'কালীঘাট-তৃণমূলের' ৫ বিধায়ক। এ প্রসঙ্গে পরে বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, "বিধানসভায় যদি বক্তব্য রাখার ব্যাপারে আমাদের সুযোগ না দেওয়া হয়, কেন্দ্রের মানুষের কাছে আমরা খারাপ জায়গায় চলে যাব। মুখ্যমন্ত্রী পরিষদীয় মন্ত্রীকে ডাকলেন...শঙ্কর ঘোষকে এবং ডেকে বললেন যে এদের জন্য একটা ঘর আপনি দেখে দেবেন। দুই হচ্ছে যে, এরা যাতে পুরোপুরি বলতে পারেন, সেটাও ঠিকমতো আপনি বিরোধী দলের যে ভাগ তার থেকে ঠিকমতো অনুপাতে আপনি ভাগ করে দেবেন। এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই যে মুখ্যমন্ত্রীর ভদ্রতার এবং তাঁর বিধানসভার সদস্য হিসাবে একটা দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাঁর আচরণ যথেষ্ট ভদ্র ছিল।"
এ প্রসঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায় বলেন, "পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যিনি হন, তিনি নিশ্চয়ই বিরোধী দলের সদস্যদের বা যে কোনও বিধায়কের কথা তিনি শুনবেন, এমনকী হাউস তো আছেই, হাউসের বাইরেও...যদি হাউসের সদস্যও না হন, যদি বিরোধীপক্ষ হয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের, তাঁরা যদি সময় চান, দেখা করতে চান কোনও বিষয় বা সমস্যা নিয়ে, পশ্চিমবঙ্গের বিষয় নিয়ে, তাহলে সেখানেও তো কথা তাঁরা বলতেই পারেন এবং নিশ্চিতভাবে সেখানে মুখ্য়মন্ত্রী সময় দেন। এটাই নিয়ম। যার ব্যতিক্রম ছিল গত ১৫ বছর।"
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন স্পিকার। তাঁর জন্য বিধানসভায় ঘরও বরাদ্দ হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, 'কালীঘাট তৃণমূল' বিধানসভায় আলাদা ঘর চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানান। বিধানসভায় বক্তব্য রাখার জন্য আলাদা সময়ও চেয়েছে তারা।
এদিকে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ধাক্কা খেয়েছে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল । বিরোধী দলনেতা পদে রইলেন ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারি করল না হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের সমর্থনে, বিরোধী দলনেতা হন ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তাতে সম্মতি জানিয়েছিলেন বিধানসভার স্পিকারও। এরপরই স্পিকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়। সেই মামলায়, বৃহস্পতিবারের শুনানিতে কোনও অন্তবর্তী নির্দেশ দিলেন না বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। জুলাই মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানি আছে।























