Suvendu Adhikari : 'এটা তোমাকে করতেই হবে', কী 'নির্দেশ' দিয়েছেন শাহ ? জানালেন শুভেন্দু...
Keshpur News : আজ কেশপুরের সভায় বক্তব্য রাখার সময় একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

কেশপুর : 'ক্ষুদিরাম বসুর পৈতৃক ভিটেতে অনেক কাজ করতে হবে।' তাঁকে এমনই 'উপদেশ' ও 'নির্দেশ' দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ কেশপুরের সভায় বক্তব্য রাখার সময় একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমি এখানে আসার কয়েকদিন আগে সকালবেলায় একটা ফোন পেলাম। ফোনটি ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র ও সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহজির। তিনি বললেন যে, শুভেন্দু ক্ষুদিরাম বসুর পৈতৃক ভিটেবাড়িটা ভগ্ন ! ওখানে অনেক কাজ করতে হবে। ওখানে অনেক কিছু করতে হবে। তুমি কি কিছু পরিকল্পনা করেছো ? আমি তখন ওঁকে বললাম, ১১ তারিখ আমার যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। আমার অনেক কিছু করার ভাবনা আছে। না...এটা তোমাকে করতেই হবে। আমি অমিত শাহজিকে ধন্যবাদ জানাই, কৃতজ্ঞতা জানাই যে তিনি কেশপুরের মোহবনীর কথা, এই বীর বিপ্লবীর কথা আমাকে উপদেশ এবং নির্দেশের আকারেও তিনি দিয়েছেন। এতে আমি আরও উদ্বুদ্ধ হয়েছি।"
কী পরিকল্পনা ? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী...
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের একটু সময় লাগবে। সব করে দেব। শুধু মুখের পরিবর্তন, দলের পরিবর্তন , ঝান্ডার পরিবর্তন নয়। ব্যবস্থারও পরিবর্তন জনগণ দেখতে পাবেন। এই বিশ্বাস আপনারা রাখতে পারেন। আমি মাননীয় জেলাশাসক...যিনি মোহবনী উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান...বর্তমান প্রশাসকও...তাঁর কাছ থেকে পরিকল্পনা পেয়েছি। পৈতৃকভিটাকে আরও সংস্কার, এখানে একটি মিউজিয়াম , এখানে ক্ষুদিরাম বসুকে নিয়ে একটি গ্যালারি , একটি লেজার শো...আলোর শোয়ের ব্যবস্থা এবং এখানে যারা বাইরে থেকে আসবেন...দর্শন করতে এই পুণ্যভূমিকে...যারা এখানে আসবেন ইতিহাস লিখতে, গবেষণা করতে...স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং জাতীয়তাবোধ সম্পর্কে জানতে, বীর বিপ্লবীর লড়াইয়ের কথা, অতীতকে চিনতে-জানতে তাঁদের জন্য থাকার আবাস...সব মিলিয়ে একটা পূর্ণাঙ্গ DPR তৈরি হবে। পূর্ণাঙ্গ DPR তৈরি করলে তার অর্থের কোনও অভাব হবে না। আমি প্রাথমিকভাবে ৫ কোটি টাকা মোহবনী ডেভেলপমেন্ট অথরিটিকে বরাদ্দ করে গেলাম। এই টাকা ট্রান্সফার হয়ে যাবে তাদের অ্যাকাউন্টে। জেলাশাসক আগামী কয়েক দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করবেন। আমি চাই, অক্টোবর মাসে যখন বর্যা চলে যাবে পূর্ণদ্যমে কাজ শুরু হবে। এবং, আগামী বছর আমি যেন এখানে এসে যা যা বলে গেলাম এগুলো চোখে দেখতে পাই। এই দায়িত্বটা আমি জেলাশাসককে দিয়ে গেলাম। ৫ কোটি টাকা পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ করল।" Suvendu Adhikari






















