Manik Bhattacharya: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়, আত্মসমর্পণ মানিক ভট্টাচার্যর স্ত্রী ও ছেলের
Recruitment Scam: আদালতের সমন পেয়ে এদিন ব্য়াঙ্কশাল কোর্টে হাজির হন মানিকের স্ত্রী শতরূপা ও ছেলে সৌভিক ভট্টাচার্য। আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলও।

কলকাতা: ED-র নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করলেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যর (Manik Bhattacharya) স্ত্রী ও ছেলে। আদালতের সমন পেয়ে এদিন ব্য়াঙ্কশাল কোর্টে হাজির হন মানিকের স্ত্রী শতরূপা ও ছেলে সৌভিক ভট্টাচার্য। আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলও। সূত্রের খবর, জামিনের বিরোধিতা করে জেল হেফাজতের আবেদন জানিয়েছে ইডি।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণ: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত বছর অক্টোবর মাসে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতিকে। দিনকয়েক আগে সিবিআই (CBI) জিজ্ঞাসাবাদ করে মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলকে। জিজ্ঞাসাবাদে মানিকের ঘাড়েই দায় ঠেললেন তাপস মণ্ডল (Tapas Mondal)। যা করেছেন মানিকের নির্দেশেই, সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদে দাবি তাপসের। মানিকের নির্দেশেই পড়ুয়া পিছু ৫ হাজার টাকা করে নিয়েছেন বলে দাবি। নিজাম প্যালেসে ৩ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাপস মণ্ডল মন্তব্য করেন, “মানিক টাকা নিয়েছেন, রসিদ দেননি। এখন পর্ষদ টাকা নিলে রসিদ দেয়।’’ ইতিমধ্যেই তাপসের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি (ED)। আর এবার এই মামলায় আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করলেন মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী, ছেলে সহ তাপস মণ্ডল।
ED-র দেওয়া সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে নাম রয়েছে তাপস মণ্ডলের। সেখানে দাবি করা হয়েছে, বিভিন্ন বেসরকারি B.Ed এবং D.El.Ed ও টিচার্স ট্রেনিং কলেজকে নো অবজকেশন সার্টিফিকেট দিতে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় কলেজ প্রতি নিয়েছেন ৬ থেকে ৮ লক্ষ টাকা। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি ও তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য পেতেন ২ থেকে ৫ লক্ষ টাকা করে। সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করে আদালতে ED-র আইনজীবী দাবি করেছেন, তাপস মণ্ডলই প্রাথমিকভাবে ফান্ড সংগ্রহ করতেন। পরে তা পাঠাতেন মানিক ভট্টাচার্যের কাছে। মানিকের মাধ্যমে তা আবার পৌঁছে যেত উপরমহলে। এনিয়ে, ED’র দফতরে বয়ান রেকর্ড করাতে এসেও, বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি করেছিলেন মানিক ভট্টাচার্য ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল।
১৫৯ পাতার সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে ED আরও দাবি করে,২০১৮ থেকে ২০২২ পর্যন্ত, অফলাইনে রেজিস্ট্রেশনের নামে মোট ২০ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছে। সেই টাকা কার হাত থেকে কার কার হাতে গেছে? তা বোঝাতে চার্জশিটে এরকম চার্ট তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে, মানিক ঘনিষ্ঠ সঞ্চিতা ভট্টাচার্য এবং হীরালাল ভট্টাচার্যের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে, অন্যদের অ্যাকাউন্টে। যাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্য, ছেলে সৌভিক এবং তাঁদের প্রয়াত আত্মীয় মৃত্যুঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়ের অ্যাকাউন্টে। শেষমেশ সব টাকা গিয়ে জমা পড়েছে শতরূপা ভট্টাচার্য এবং মানিক ঘনিষ্ঠ পান্নালাল ভট্টাচার্যর অ্যাকাউন্টে।
আরও পড়ুন: Murshidabad News: বিডিও অফিসে স্কুল পরিদর্শককে মারধরের অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল
Before You Go
কমিশনে গেলেন ঋতব্রত, বলে দিলেন, "আমরাই আসল তৃণমূল"






















