Krishnanagar Girl Death: উত্তরপ্রদেশে 'লুকিয়ে' অভিযুক্ত! কৃষ্ণনগরকাণ্ডে আতঙ্কে স্থানীয়রা
Nadia News: ক'দিন পরেই নতুন কলেজে ক্লাস শুরু করার কথা ছিল ঈশিতা মল্লিকের। সেই তোড়জোড়ও চলছিল বাড়িতে।

প্রদ্যোৎ সরকার, নদিয়া: নদিয়ার কৃষ্ণনগরে খুনের ঘটনায় এখনও অধরা অভিযুক্ত দেশরাজ সিং। পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়ায় লুকিয়ে রয়েছে অভিযুক্ত। হত্যাকাণ্ডের ৪দিন পরেও অভিযুক্ত ধরা না পড়ায় আতঙ্কে রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
ক'দিন পরেই নতুন কলেজে ক্লাস শুরু করার কথা ছিল ঈশিতা মল্লিকের। সেই তোড়জোড়ও চলছিল বাড়িতে। কিন্তু নদিয়ার কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা ঈশিতার সেই স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল। স্কুলের বন্ধুর গুলিতেই শেষ হয় গেল সবকিছু। সোমবার যে মেয়ের নতুন কলেজে যাওয়ার তোড়জোড়ে ব্যস্ত ছিল পরিবার, শুক্রবার তাঁরই পারলৌকিক ক্রিয়া করতে হল পরিবারের সদস্যদের। কৃষ্ণনগরের মানিকপাড়ায় পুলিশ সুপারের অফিসের অদূরে তরুণী গুলি করে খুনের ঘটনায় ৪ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও অধরা অভিযুক্ত দেশরাজ সিং। পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়ায় লুকিয়ে রয়েছে অভিযুক্ত। সেখানে যথেষ্ট প্রভাবশালী তার পরিবার। দেশরাজ সিংয়ের কাকারা বাহুবলী বলে বলে পরিচিত এলাকায়। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। পরিবারের প্রভাবের কারণে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে বেগ পেতে হচ্ছে তদন্তকারীদের।
দেশরাজ সিং-কে গ্রেফতার করতে কৃষ্ণনগর জেলা পুলিশের ১৫ জনের টিম রয়েছে উত্তরপ্রদেশে। ৩ ভাগে ভাগ হয়ে তদন্ত চালাচ্ছেন তাঁরা। পুলিশ সূত্রে খবর, সোশাল মিডিয়ায় ঈশিতাকে খুনের হুমকি দিতে অভিযুক্ত। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করার আশ্বাস দিয়েছেন কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার। তিনি জানিয়েছেন, "আমরা উত্তরপ্রদেশের একাধিক জায়গায় রেড করছি, দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হবে। আগেও খুনের হুমকি দিয়েছে অভিযুক্ত। একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সোশাল মিডিয়ায় মেসেজ করে ভয় দেখানো হত।''
নিহত তরুণীর বাড়ির পাশেই পুলিশ সুপার, জেলা শাসকের অফিস। উল্টোদিকে কৃষ্ণনগর উইমেনস কলেজ। এইরকম হাই প্রোফাইল এলাকায় বাড়িতে ঢুকে তরুণীকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন ও তাঁর মাকে খুনের চেষ্টার ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। দিনে দুপুরে বান্ধবীকে খুন করে রাজ্য ছেড়ে কী করে পালিয়ে গেল অভিযুক্ত? কবে ধরা পড়বে সে? সেই প্রশ্নই ঘুরছে নিহত তরুণীর পরিবার, প্রতিবেশীদের মনে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা। এক বাসিন্দা উৎপল হালদার বলেন, "আমরা ভয়ে আছি, একজনের বাড়ির মধ্যে ঢুকে, দোতলার ঘরে এইভাবে মেরে গেল, তারজন্য প্রশাসন কী করছে আমরা বুঝতে পারছি না।''






















