Nandigram Congress Candidate Arrest : ঠিক কী কী অভিযোগে গ্রেফতার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী? রাত অবধি কোথায় রাখা হয় তাঁকে?
শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ।

বিটন চক্রবর্তী, নন্দীগ্রাম : মুখ্য়মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পরেই, নন্দীগ্রাম থেকে নিজের প্রার্থীপদ প্রত্য়াহার করেছেন কালীঘাট তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে। অন্য়দিকে, এদিনই পুরনো খুনের মামলায় নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ।
বিকেলে চণ্ডীপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে ছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান, প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শুভাশিস ভট্টাচার্য সহ বেশ কয়েকজন। চণ্ডীপুর থানার পুলিশ সেখানে গিয়ে প্রার্থীকে গ্রেফতার করে। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আটক করা হয় শুভাশিস ভট্টাচার্যকে। এরপরে মিলন প্রধান কোথায় ছিলেন সেই বিষয়ে দীর্ঘক্ষণ কিছু জানা যায়নি।
প্রার্থীর গ্রেফতারির খবর পেয়ে নন্দীগ্রাম থানায় যান প্রদেশ কংগ্রেস নেতা আশুতোষ চট্টোপাধ্যায় সহ একটি প্রতিনিধি দল। সেখানে মিলন প্রধানের খোঁজ না মেলায় চণ্ডীপুর থানায় যান তাঁরা। গভীর রাতে চণ্ডীপুরে পৌঁছন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। উপনির্বাচনের আগে ভয় পেয়ে বিজেপি নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেফতার করিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে খবর, ২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলন পর্বে ১টি খুনের, ১টি খুনের চেষ্টা ও ২টি অস্ত্র আইনে মামলায় অভিযুক্ত মিলন প্রধান। তাঁর নামে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে। জেলা পুলিশের দাবি, ভোটের আগে পুরনো মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হয়। গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর সঙ্গে তাঁর উপনির্বাচনে লড়াইয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। শনিবার হলদিয়া মহকুমা আদালতে তোলা হবে মিলন প্রধানকে।
অন্যদিকে, নিজের তৈরি সেই দলের নাম ও প্রতীক হারিয়ে, ফের কংগ্রেসেরই হাত ধরে ভেসে থাকার চেষ্টা করছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। নন্দীগ্রামে তাঁর প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্য়াহার করে নেওয়ায় সেখানে কংগ্রেসকে সমর্থনের ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।
এর আগে জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে শুক্রবার সকালে রাহুল গান্ধী তাঁর X POST-এ লেখেন, প্রথমে শিবসেনা, তারপর NCP, আর এখন তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিবার একই ধাঁচে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে এক একটি রাজনৈতিক দলকে ভেঙে দেয়। তারপর সেই দলের নির্বাচনী প্রতীকও কেড়ে নেওয়া হয়। এই লড়াই শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয়। স্বাধীন ও অবাধ নির্বাচন চান, এমন প্রতিটি রাজনৈতিক দল এবং প্রতিটি ভোটারের লড়াই এটা।
Before You Go
Hangla Hesel: ১০০টি আবাসনে ঘুরে ঘুরে ভোগের স্বাদ চেখে দেখবে টিম 'হ্য়াংলা হেঁশেল'






















