Mithun Chakraborty: 'এবারের লড়াই শেষ লড়াই', দুর্গাপুরে মোদির জনসভা থেকে জীবনপ্রাণ দিয়ে লড়াইয়ের বার্তা মিঠুনের
'পুলিশ একটু নিরপেক্ষ হোক, তারপর দেখুন বিজেপি কী করতে পারে ?' দুর্গাপুরে মোদির জনসভা থেকে মিঠুনের বার্তা

কলকাতা: শুক্রবার দুর্গাপুরে জোড়া সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামনে ২০২৬-এ পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বঙ্গ সফরে এসে ভোটের দামামা বাজিয়ে দিলেন নরেন্দ্র মোদি। এদিনে মোদির সভায় বক্তব্য পেশ করেন মিঠুন চক্রবর্তী।
এদিন সভামঞ্চ থেকে মিঠুন বলেন, 'আমাদের এবারের লড়াই শেষ লড়াই- এটা ভেবে এবার মাঠে নামতে হবে। শেষ লড়াই মানে জীবন প্রাণ দিয়ে লড়াই করা। সবাই একসঙ্গে লড়াই করব। এবারের নির্বাচন যেভাবেই হোক জিততেই হবে। আমি পশ্চিমবঙ্গের ছেলে। এখানে মা-বোন সবাই আমার। আমি রাজনীতি করি না, মানুষ নীতি করি। তাই বারবার দৌড়ে আসি। এবারে তৈরি হয়ে মাঠে নামছি।'
তিনি এও বলেন, '২৩-২৪ তারিখ থেকে পুরো মাঠে নামব। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলব। পুলিশ একটু নিরপেক্ষ হোক, তারপর দেখুন বিজেপি কী করতে পারে? বিজেপি হেরে যাওয়ার পাত্র নয়। আমি সমঝোতার রাজনীতি করি না। বুক চিতিয়ে লড়ব, পিছন থেকে নয়, সামনে থেকে হামলা করো'।
এদিকে, পরিবর্তনের ডাক দিয়ে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে দ্বিতীয়বার পশ্চিমবঙ্গে এসে দুর্গাপুরের সভা থেকে তৃণমূলকে হঠিয়ে "আসল পরিবর্তনের" ডাক দিলেন নরেন্দ্র মোদি। বললেন, তৃণমূল যাবে, তবেই আসল পরিবর্তন আসবে। পরিবর্তনের পদ্ম ফোটাতে হবে। বিকশিত বাংলা মোদির গ্যারান্টি।
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে, রাজ্য রাজনীতির অন্যতম প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে 'বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী' বনাম 'বাঙালি হেনস্থা'। প্রত্যাশিতভাবেই শুক্রবার দু'টো ইস্যুই বারবার উঠে এলে নরেন্দ্র মোদির মুখে। তৃণমূলকে বিদ্ধ করতে প্রধানমন্ত্রী হাতে তুলে নিলেন অনুপ্রবেশ-অস্ত্র। সেই সঙ্গে স্পষ্ট হুঁশিয়ারিও দিলেন রাজ্যের শাসক দলকেও। নরেন্দ্র মোদি দাবি করলেন, পশ্চিমবঙ্গবাসীর জন্য নয়, তৃণমূল আসলে অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতে রাস্তায় নেমেছে। বাংলাদেশি জঙ্গির হাতে ভোটার কার্ড কিংবা ভুয়ো নথি দিয়ে আসল পাসপোর্ট তৈরির নজির এ রাজ্যে সামনে এসেছে। দুর্গাপুরের জনসভায় এই ইস্যুও বাদ দিলেন না নরেন্দ্র মোদি। তুললেন তোষণের অভিযোগও।






















