NEET Protest in Kolkata : নিট আন্দোলন ঘিরে ধর্মতলায় ধুন্ধুমার, আন্দোলনকারী-পুলিশ ধস্তাধস্তি ; লাঠি উঁচিয়ে তাড়া পুলিশের
NEET Protest : একদিকে পুলিশ বাহিনী, অন্যদিকে ছাত্র-যুবকদের জমায়েত ঘিরে চরম উত্তেজনা ছড়ায়।

সন্দীপ সরকার, কৃষ্ণেন্দু অধিকারী ও শিবাশিস মৌলিক, কলকাতা : নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে গেল কলকাতায়। CJP ও বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। কার্যত 'রণক্ষেত্রের' চেহারা নেয় ডোরিনা ক্রসিং। ঘটনার সময় জুতো, জলের বোতল উড়ে আসতে দেখা যায়। পাল্টা দু'টি কাঁদানে গ্যাসের শেল চার্জ করা হয় পুলিশের তরফে। একদিকে পুলিশ বাহিনী, অন্যদিকে ছাত্র-যুবকদের জমায়েত ঘিরে চরম উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ ধর্মতলার মোড় অবরোধমুক্ত করার জন্য উদ্যোগী হয়। লাঠি উঁচিয়ে পুলিশ যখন তেড়ে যায়, তখন ছাত্র-যুবদের সঙ্গে তাদের খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। বিশাল সংখ্যক পুলিশবাহিনী ছাত্রদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এর জেরে একাংশ রানি রাসমনি রোডের দিকে চলে যায়। আর একটা অংশ তখনও ধর্মতলার মোড়ে জমায়েত করে থাকে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ঘটনাস্থলে RAF, কমব্যাট ফোর্স এবং কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়।
নিট প্রশ্নফাঁসকাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলনের আঁচ পড়ল কলকাতাতেও। শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের আয়োজন করে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন। সেই মিছিল থেকে একাধিক ছাত্র তাঁদের ক্ষোভ উগরে দেন। এক আন্দোলনকারী বলেন, "ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ তো করতেই হবে। তার সঙ্গে নরেন্দ্র মোদিও প্রধানমন্ত্রী হিসাবে অ্যাকাউন্টেবিলিটি নিক। রাজ্যের অবস্থা দেখে আমাদের এটা দেখতে হবে যে বন্ধ হওয়া সরকারি স্কুলগুলো এবার খুলে দিক। আর সেন্ট্রালি যদি দেখতে চাই, এই সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এনটিএ হ্যান্ডেল করছে, এনটিএ-কে স্রেফ করতে হবে।" অপর এক আন্দোলনকারী ছাত্র বলেন, "আমরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাইছি। যেভাবে ছাত্রদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ছাত্রদের ওপর আক্রমণ করা হচ্ছে, অবিলম্বে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাই এবং অগণতান্ত্রিক এনটিএ বাতিল করতে হবে। এই দাবিতে সারা রাজ্যজুড়ে, সারা দেশজুড়ে আন্দোলন হচ্ছে।" আর এক আন্দোলনকারী ছাত্রী বলেন, "আমরা প্রত্যেকেই যে দাবি করে আসছি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, এনটিএ বাতিল করতে হবে। কারণ, এনটিএ আজ যেভাবে ছাত্র সমাজের ক্ষতি করছে, ছাত্রদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে...তাই অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। তাই শিক্ষামন্ত্রীর যেমন পদত্যাগ চাইছি, এনটিএ-কে বাতিল করতে হবে অবিলম্বে। আজ রাজপথ এতেই লাল হবে।"
এদিকে সময় যত গড়াচ্ছে ততই অন্য মাত্রা পাচ্ছে যন্তরমন্তরের প্রতিবাদ। একজোট হয়ে পথে ছাত্র-যুবরা ।























