Mamata Banerjee: 'কর্মসংস্থান বাড়বে, মানুষের আয় হবে..', নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের শিলান্যাসে গিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
Mamata On Newtown Durga Angan Foundation Stone: নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের শিলান্যাস মুখ্যমন্ত্রীর।

কলকাতা: নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের শিলান্যাস মুখ্যমন্ত্রীর। এদিন তিনি বলেন, 'আমাদের সকলের কাছে একটা ঐতিহাসিক দিন। পশ্চিমবঙ্গের মুকুটে আরও একটা পালক। এই দুর্গা অঙ্গন ৩৬৫ দিনই খোলা থাকবে। আগে যে জমিটা দেখেছিলাম সেটা ১২ একর ছিল। আমি বললাম করছি যখন, ভাল করেই করা হোক। পরে দেখলাম এই জায়গাটা আরও বড়। দুর্গা অঙ্গন বিশ্বের বৃহত্তম দুর্গা অঙ্গন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।'
আরও পড়ুন, 'শুনানির তারিখ মিস হলে ফের কি ডাক পাওয়া যাবে ?.. ', CEO দফতরে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল
'মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ট্রাস্ট তৈরি করেছি, ট্রাস্টই দেখভাল করবে, কর্মসংস্থান বাড়বে, মানুষের আয় হবে..'
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'জগন্নাথ ধামে কাল ১ কোটি দর্শনার্থী হয়েছে। আমরা এখনও মনে করি ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। ৩৬৫ দিনই এখানে মা দুর্গা পুজোর নিত্য আঙিনা হবে। আমাদের ৩৬৫ দিনই দুর্গাপুজো দেখার সুযোগ পাবেন। সংস্কৃতি জগতের অনেক কর্মসংস্থান হবে। অনেক দোকান হবে, কারুশিল্পীরা দোকান দেওয়ার সুযোগ পাবেন। ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেসকো। পশ্চিমবঙ্গের শিল্প, সংস্কৃতি, বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যও তুলে ধরবে। জগন্নাথ ধাম যাঁরা তৈরি করেছেন, তাঁদেরই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পুরো এলাকা হবে ২ লক্ষ বর্গফুট, উঠোনেই ১ হাজার লোক দাঁড়াতে পারবেন। ২০ ফুট চওড়া একটি ঘোরার পথ তৈরি হচ্ছে। মূল গর্ভগৃহের উচ্চতা হবে ৫৪ মিটার। ১০৮টি দেবদেবীর মূর্তি ও ৬৪টি সিংহমূর্তি বসানো হবে। শিব, কার্তিক, সরস্বতীরও আলাদা মন্দির থাকবে। তৈরি হবে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি ট্রাস্ট তৈরি করেছি, ট্রাস্টই দেখভাল করবে। কর্মসংস্থান বাড়বে, মানুষের আয় হবে।'
'আমি রেলমন্ত্রক ছেড়ে আসার সময় প্রকল্পের টাকাও রেখে এসেছিলাম, আমি থাকলে..'
মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, 'আপনারা জানেন, দিঘায় মন্দির করার পর কত হোটেল দোকান তৈরি হয়েছে। আমি রেলমন্ত্রী থাকাকালীন দিঘা রেললাইন, একলাখি বালুরঘাট রেললাইন তৈরি হয়েছে। আমি রেলমন্ত্রক ছেড়ে আসার সময় প্রকল্পের টাকাও রেখে এসেছিলাম। আমি থাকলে ২ বছরে করে দিতাম, এরা ১০-১৫ বছর ঝুলিয়ে যাচ্ছে। জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাস হবে। জমি দেখা হয়ে গিয়েছে, ট্রাস্ট তৈরি করে বাকি কাজ করা হবে। দুর্গা অঙ্গনের ট্রাস্টে দুর্গা মূর্তির টাকা জমা পড়ে গিয়েছে।






















