Pakistani Beauty Product : পাকিস্তানি পারদ মেশানো ক্ষতিকর ক্রিম এদেশের বাজারেও ! সামনে এল ভয়ঙ্কর তথ্য
এই কসমেটিক্সগুলির মধ্যে রয়েছে মূলত রাতে ও দিনে ব্যবহারের জন্য বিউটি ক্রিম, যা মূলত ফরসা হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। এই সব ক্রিমে এমন উপাদান পাওয়া গিয়েছে, যা ভয়ঙ্কর ক্ষতি করতে পারে ত্বকের।

কলকাতা : আর সহ্য নয় ! পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া কূটনৈতিক পদক্ষেপ করেছে ভারত। অন্যদিকে কাশ্মীরে কড়া অ্যাকশনে নেমেছে সেনা। দল-মত নির্বিশেষে নেতা থেকে সাধারণ মানুষ সকলে চাইছে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করতে যোগ্য় পদক্ষেপ করুক মোদি সরকার। শেষ অবধি কোন পথে পাকিস্তানকে জবাব দেয় মোদি সরকার, সেদিকেই সবার নজর। এরই মধ্যে এবার পাকিস্তানের তৈরি ক্ষতিকারক উপাদান যুক্ত কসমেটিক্স ধরা পড়ল ভারতের বাজারে। এই কসমেটিক্সগুলির মধ্যে রয়েছে মূলত রাতে ও দিনে ব্যবহারের জন্য বিউটি ক্রিম, যা মূলত ফরসা হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। এই সব ক্রিমে এমন উপাদান পাওয়া গিয়েছে, যা ভয়ঙ্কর ক্ষতি করতে পারে ত্বকের।

বিষাক্ত ক্রিম
দেশের বাজারে পাকিস্তানে তৈরি ক্ষতিকারক উপাদান যুক্ত কসমেটিক্স নিয়ে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্য। Central Drugs Standard Control Organization - একটি রিপোর্টে দাবি, পাকিস্তানি সংস্থার তৈরি বিউটি ক্রিমে মেশানো রয়েছে পারদ। তাও আবার মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে। CDSCO) পরীক্ষায় দাবি, ' Made in pakistan ' লেখা ক্ষতিকারক কসমেটিক্সগুলি ধরা পড়েছে কেরলের তিরুঅনন্তপুরমে।
নিয়ম ভেঙেছে পাক কোম্পানি
গোরি কসমেটিকস প্রাইভেট লিমিটেড এবং MMC কসমেটিক প্রাইভেট লিমিটেড, এই দুটি পাক সংস্থার তৈরি কসমেটিক্স, দেশের কসমেটিক রুল লঙ্ঘন করেছে। CDSCO র রিপোর্টে দাবি, ২০২০ সালে যে রুল তৈরি হয়েছিল, সেই নিয়ম ভেঙেছে পাক কোম্পানির বিউটি প্রোডাক্ট। আর তা ছেয়ে গিয়েছে এ দেশেরই বাজারে।
প্রসাধনীতে পারদ থাকলে কী হয়
জেনে নেওয়া যাক, প্রসাধনীতে বেশি পারদ থাকলে ত্বকের কী কী ক্ষতি হতে পারে। বিভিন্ন মেডিক্যাল আর্টিকলে দাবি, প্রসাধনীতে অতিরিক্ত পারদ থাকলে ত্বক, স্নায়ুতন্ত্র এবং কিডনির ক্ষতি হতে পারে। এর ফলে ত্বকে ব়্যাশ, ফুসকুড়ি হতে পারে। প্রভাব খুব খারাপ হলে ত্বক অসাড়ও বোধ হতে পারে। পারদের প্রসাধনীতে ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে ত্বক হালকা করার ক্রিমে অর্থাৎ যে সব ক্রিম মাখলে ফর্সা হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া থাকে। পারদের ব্যবহারে ত্বকে মেলানিন উৎপাদন কম হয়, তাতে ত্বকের রং হালকা হতে পারে। কিন্তু নিয়মিত পারদযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করলে ত্বকে সাঙ্ঘাতিক রকমের সংক্রমণ হতে পারে। অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া, জ্বালা বা নিউরোটক্সিক সমস্যাও হতে পারে। উচ্চ মাত্রার পারদ ব্যবহার স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে। প্রভাব বাড়বাড়ি রকমের হলে কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভবতী এবং স্তনদায়ী মহিলাদের পারদের সংস্পর্শ এড়িয়ে যাওয়া উচিত বলে মনে করেন অনেকে।






















