Awas Yojana: এখনও পাননি সরকারের দেওয়া ৬০ হাজার টাকা? ১০ লক্ষের পর এবার কারা পাবেন দ্বিতীয় কিস্তি, জানুন পুরো আপডেট
বৃহস্পতিবার থেকে প্রায় ১০ লক্ষ যোগ্য উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় কিস্তির ₹৬০,০০০ করে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

Paschim Banga Awas Yojana: পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনার উপভোক্তাদের জন্য বড় খবর। বাংলার বাড়ি প্রকল্পের নাম বদলে এখন ‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস’ নামে এই প্রকল্পের আওতায় উপভোক্তাদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে প্রায় ১০ লক্ষ যোগ্য উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় কিস্তির ₹৬০,০০০ করে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
কারা পাবেন দ্বিতীয় কিস্তির টাকা?
যে সমস্ত উপভোক্তা পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা পাওয়ার পর বাড়ি তৈরির কাজ লিন্টেল স্তর পর্যন্ত সম্পূর্ণ করেছেন, তাঁদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হচ্ছে। তবে একসঙ্গে সকলের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে না। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ধাপে ধাপে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ৬০,০০০ করে পাঠানো হবে।
এখনও টাকা না ঢুকলে কী করবেন?
আপনার অ্যাকাউন্টে এখনও দ্বিতীয় কিস্তির ৬০,০০০ না ঢুকলে এখনই চিন্তার কারণ নেই। কারণ উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ধাপে ধাপে পাঠানো হচ্ছে। তাই নিয়মিত নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন এবং ব্যালান্স পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এর পরেও যদি টাকা না আসে, তাহলে নিজের এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক অফিস অথবা সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরে যোগাযোগ করে পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনার আবেদনের বর্তমান স্ট্যাটাস জানতে পারেন।
বাড়ির কাজ লিন্টেল স্তরে না পৌঁছলেও সুযোগ রয়েছে
যেসব উপভোক্তার বাড়ির নির্মাণকাজ এখনও লিন্টেল স্তর পর্যন্ত পৌঁছয়নি, তাঁদেরও আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। বাড়ির কাজ নির্দিষ্ট স্তরে পৌঁছনোর পর ফের সরকারি সমীক্ষা ও যাচাই করা হবে। সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী ঠিক থাকলে পরবর্তী ধাপে তাঁদেরও দ্বিতীয় কিস্তির ৬০,০০০ দেওয়া হবে।
তাই পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনার উপভোক্তাদের উদ্দেশে মূল বার্তা হল—টাকা এখনও অ্যাকাউন্টে না ঢুকলে অপেক্ষা করুন, নিয়মিত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করুন এবং প্রয়োজন হলে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত বা ব্লক অফিসে যোগাযোগ করুন। কোনও ভুয়ো তথ্য বা গুজবে বিশ্বাস না করে সরকারি তথ্যের উপর নির্ভর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কেন এখনও অনেকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি?
পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনার দ্বিতীয় কিস্তির টাকা নিয়ে উপভোক্তাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে—তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও কেন এখনও অ্যাকাউন্টে ৬০,০০০ ঢুকল না? এর অন্যতম কারণ, দ্বিতীয় কিস্তির টাকা একসঙ্গে সমস্ত উপভোক্তাকে দেওয়া হচ্ছে না। প্রথম দফায় ১০ লক্ষ ২০ হাজার ৩৭৯ জন যোগ্য উপভোক্তাকে ৬০,০০০ করে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সরকারি সমীক্ষায় উপভোক্তাদের যোগ্যতা এবং বাড়ি তৈরির অগ্রগতি যাচাই করা হয়েছে। ফলে তালিকায় নাম থাকা মানেই একই সময়ে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাওয়া যাবে, এমন নয়। যাঁরা এই দফায় টাকা পাচ্ছেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে পরবর্তী ধাপে টাকা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আরও প্রায় ৮ লক্ষ উপভোক্তাকে ধাপে ধাপে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
কত টাকা পাবেন?
দ্বিতীয় কিস্তিতে প্রত্যেক যোগ্য উপভোক্তা পাবেন ৬০,০০০। ১০ লক্ষ ২০ হাজার ৩৭৯ জনকে এই অর্থ দেওয়া হলে মোট বরাদ্দের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৬,১২২ কোটি।
অন্যদিকে, বাড়ি তৈরির জন্য প্রকল্পের আওতায় মোট ১.২০ লক্ষ পর্যন্ত আর্থিক সহায়তার কথা জানানো হয়েছে। বাড়ি সম্পূর্ণ হলে শৌচালয় তৈরির জন্য স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পের মাধ্যমে আরও ১২,০০০ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
টাকা না এলে কোথায় যোগাযোগ করবেন?
যদি যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও দ্বিতীয় কিস্তির টাকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে না আসে, তাহলে প্রথমে নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও লেনদেনের তথ্য যাচাই করুন। এরপর স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক অফিস বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দফতরে যোগাযোগ করে উপভোক্তার তালিকায় নিজের নাম, আবাস প্রকল্পের স্ট্যাটাস এবং কিস্তি সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা যেতে পারে।
তবে টাকা না আসা মানেই আবেদন বাতিল হয়েছে—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। কারণ দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ ধাপে ধাপে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।























