Durgapur Incident: 'এখানে তো ঔরঙ্গজেব শাসন চলছে, মেয়ে সুরক্ষিত নয়, বাড়ি নিয়ে চলে যাব', প্রতিক্রিয়া দুর্গাপুরে নির্যাতিতার বাবার
Paschim Burdwan News: দুর্গাপুরে ডাক্তারি পড়ুয়ার গণধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে ৫। আজ গ্রেফতার আরও দুই অভিযুক্ত।

দুর্গাপুর : 'এখানে সরকারি সুরক্ষা নেই।' মেয়েকে ওড়িশায় নিয়ে চলে যেতে চান দুর্গাপুরে নির্যাতিতার বাবা। শুধু তা নয়, তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও তুললেন। এর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার তুলনা টেনে বললেন, 'এখানে তো ঔরঙ্গজেব শাসন চলছে। আমার ওড়িশা খুব ভাল।'
নির্যাতিতার বাবার কথায়, "আমি বাড়ি নিয়ে চলে যাব। এখানে রাখব না। এখানে সুরক্ষিত নয়। আমার মেয়েকে বাড়ি নিয়ে চলে যাব। ওড়িশার জলেশ্বরে। মেয়েকে স্বপ্ন নিয়ে পাঠিয়েছিলাম। ভবিষ্যতে ডাক্তার হবে। রোগীর সেবা করবে। বড় মানুষ হওয়ার স্বপ্ন ছিল। স্বপ্ন তো ওর ধূলিস্মাৎ হয়ে গেল। আমি ওইজন্য নিয়ে যাব। এখানে সুরক্ষিত নয় মেয়ে আমার। এখানে সরকারি সুরক্ষা নেই। এইজন্য নিয়ে চলে যাব। এখন অনুভব করতে পারলাম, পার্থক্যটা কী। পশ্চিমবঙ্গ আর ওড়িশার মধ্যে পার্থক্য কী। এখানে তো ঔরঙ্গজেব শাসন চলছে। আমার ওড়িশা খুব ভাল। আমার মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, আপনি আসুন। দরকার পড়লে এখানে মেডিক্যাল কলেজে মেয়েকে ভর্তি করে দেব...সবকিছু সহায়তা..ডিজি, ডিএসপি, এসপি...এমএলএ, এমপি সবাই...সবসময় আমার সঙ্গে খবর নিচ্ছেন। কিছু এসে দেখা করে গিয়েছেন। সমবেদনা জানিয়েছেন। ওড়িশা সবকিছু সাহায্য করছে আমাকে।"
এই রাজ্য সরকার বা পুলিশের তরফ থেকে কোনও সহযোগিতা আদৌ পাচ্ছেন ? উত্তরে নির্যাতিতার বাবা বলেন, "সহযোগিতা ছিল না। প্রথম যা দেখলাম, এখানে এসে বন্ধুরা কিছু...অত আমাকে সাহায্য করেছেন। ওঁরা যদি আমাকে সাহায্য না করতেন, তাহলে ওই কেসটা কেসের মতো হত না। আমিও প্রথম যখন থানায় যাই, ওরা দায়িত্বজ্ঞানহীন। কিছু কথার গুরুত্ব দিচ্ছে না। তদন্ত চলছে থাকুন, অপেক্ষা করুন...এভাবে। কমিশনের কাছে, ডিএসপির কাছে গিয়ে অনুরোধ করেছি, কান্নাকাটি করেছি...তারপরে একটু একটু উন্নতি হল। তদন্ত চলছে বলছে। আমার বক্তব্য, দোষীকে কঠোর শাস্তি দাও। মমতা ম্যাডাম বললেন, সন্ধে ৭টার সময় বাড়ি থেকে বেরোবেন না, তাহলে কোথায় যাবে, চাকরি-বাকরি কিছু করবে না ? এটা কী ? আমরা কী আশা করব ? মেয়েরা পুরো অসুরক্ষিত।"
দুর্গাপুরে ডাক্তারি পড়ুয়ার গণধর্ষণকাণ্ডে গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে ৫। আজ গ্রেফতার আরও দুই অভিযুক্ত। ধৃত শেখ নাসিরউদ্দিন ও সফিক শেখ। ধৃত নাসিরউদ্দিনের বাড়ি IQ সিটি মেডিক্যাল কলেজের পাশেই। গতকাল পুলিশের জালে ছিল ৩ জন। ধৃতদের ১০ দিনের পুলিশ হেফাজত হয়েছে। এদিকে গণধর্ষণকাণ্ডে পুলিশের স্ক্যানারে নির্যাতিতার সহপাঠীর ভূমিকাও।






















