Purulia News: আচমকা স্রোতের টান, বাইক-সহ ভেসে গেলেন চালক, চাঞ্চল্য পুরুলিয়ায়
Purulia Water logging: জলের স্রোতে বাইক-সহ ভেসে গেলেন চালক

হংসরাজ সিংহ, পুরুলিয়া: জলের স্রোতে বাইক-সহ ভেসে গেলেন চালক, স্থানীয়দের তৎপরতায় অবশেষে উদ্ধার। টানা বৃষ্টিতে পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় জলমগ্ন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকালে সাতুড়ি থানার অন্তর্গত সুভাষ রোডের কোটালডি রেলগেটের কাছে জলের তীব্র স্রোতে বাইক-সহ ভেসে গেলেন এক বাইক চালক। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের তৎপরতায় তাঁকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন, অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাননি ? "যারা ১০ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করেছেন..", জরুরি বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
জলের স্রোতে বাইক-সহ ভেসে গেলেন চালক
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এদিন সকালে ওই ব্যক্তি বাইকে করে সাতুড়ির দিক সুভাষ রোড এর উপর দিয়ে সুভাষ মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। কোটালডি রেলগেটের সামনে রাস্তার উপর দিয়ে জল প্রবল স্রোতে বইছিল। সেই সময় জল পার হওয়ার চেষ্টা করতেই আচমকা স্রোতের টানে বাইক-সহ ভেসে যান তিনি।ঘটনা দেখতে পেয়ে আশপাশের স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁদের তৎপরতায় বাইক চালককে জল থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে টানা বৃষ্টির জেরে ওই এলাকায় রাস্তার উপর জল জমে থাকায় যান চলাচলে সমস্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জলমগ্ন রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
টানা বৃষ্টিতে ফুঁসছে নদী, জলের তোড়ে ভেসে গেল ডাম্পার
অপরদিকে, টানা বৃষ্টিতে ফুঁসছে বাঁকুড়ার গন্ধেশ্বরী নদী। জলের তলায় চলে গেছে মানকানালি সেতু। গতকাল রাতে, সেতু পারাপারের সময়, জলের তোড়ে ভেসে গেল ডাম্পার। বরাত জোরে প্রাণে বেঁচে যান চালক ও খালাসি। এখনও পর্যন্ত ডাম্পারটির কোনও হদিশ মেলেনি। সেতু দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। বিচ্ছিন্ন বাঁকুড়া শহরের সঙ্গে ১৪ থেকে ১৫টি গ্রামের যোগাযোগ। ভারী বৃষ্টিতে ফুঁসছে ঝাড়গ্রামের একাধিক নদী। জলমগ্ন কজওয়ে সহ একাধিক রাস্তা। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। তারাফেনি নদীর জল উপচে প্লাবিত হয়েছে ঢোলভাঙা এলাকা। অন্যদিকে, ডুলুং নদীর জলস্তর বৃদ্ধি হওয়ায় জলের তলায় জামবনির চিল্কিগড় কজওয়ে। কাথুয়া খালের জল উপচে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ফেকো-গোপীবল্লভপুর রাজ্য সড়ক। প্রশাসন সূত্রে খবর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চলছে নজরদারি। ঝাড়খণ্ডের গালুডি ব্যারাজ থেকে ৪ হাজার ৬০ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। তার ফলেই নদী তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলিতে প্লাবনের আশঙ্কা আরও বাড়ছে।





















