Rabindranath Chatterjee : 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছেন ?' উত্তরে বর্ষীয়ান নেতা রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বললেন...
TMC News : পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতির পদে ইস্তফা রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের

কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা : বিধানসভা, লোকসভার পরে 'কালীঘাট' কমিটিতেও ভাঙন ! পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতির পদে ইস্তফা দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। এদিন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছেন ? উত্তরে তিনি বলেন, "এখনই বলতে পারছি না।"
এবিপি আনন্দ : পূর্ব বর্ধমানে জেলা সভাপতির পদ ছেড়ে দিলেন। আজ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে কেন ?
রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় : আমি এসেছিলাম পেনশনের জন্য। তারইমধ্যে দেখলাম, আমাদের পুরনো বিধায়করা ওখানে আছেন সবাই। আখরুজ্জামান-রা ছিলেন। নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ছিলেন।
এবিপি আনন্দ : আপনি কি তৃণমূলের সঙ্গে আছেন ?
রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় : এখনই কিছু বলতে পারছি না।
এবিপি আনন্দ : কোন তৃণমূল- কালীঘাট তৃণমূল-এর সঙ্গে আছেন ? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আছেন ?
রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় : এখনই বলতে পারছি না।
এবিপি আনন্দ : মানে, ভবিষ্যতে থাকবেন কি না ঠিক নেই ?
রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় : চিন্তা করছি। পরে সিদ্ধান্ত নেব। এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারটাই পরিষ্কার হয়নি। কী করে বলব ? হলে তো বলবই।
কালীঘাট তৃণমূলের এখন চরম দুর্দিন। নেমে এসেছে দুর্যোগ। কেঁপে গেছে মাটি। বিধানসভা ভোটে হারের পর, দলের ভাঙনের পরও যাদের আঁকড়ে ধরে ফের ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, নতুন কমিটি গড়েছিলেন, তাঁদেরও একটা বড় অংশই ফের তাঁকে ধাক্কা দিয়েছে।
ফিরহাদ হাকিমকে বিধানসভায় চিফ হুইপ করতে চেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। যিনি ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকবার বৈঠকে বসেছেন ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্য়ায়, সন্দীপন সাহাদের সঙ্গে। মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল মালা রায়কে। যুব সভানেত্রী করা হয় সায়নী ঘোষকে। তাঁরা দু'জনই দিল্লিতে গিয়ে NCPI-তে মিশে গেছেন।
পূর্ব বর্ধমানের জেলা সভাপতি করা হয়েছিল রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্য়ায়কে। প্রদীপ সরকারকে পশ্চিম মেদিনীপুরের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। দু'জনই ইস্তফা দিয়েছেন। শুক্রবার পশ্চিম বর্ধমানের জেলা তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। ১৩ জুন জেলা তৃণমূল সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে। ১ সপ্তাহ কাটার আগেই পদ থেকে ইস্তফা দিলেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। পদত্য়াগের আগে, শুক্রবার দুপুরে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সঙ্গে প্রায় একঘণ্টা বৈঠক করেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। সূত্রের খবর, সেখান থেকেই হোয়াটসঅ্য়াপ মারফৎ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে পদত্য়াগপত্র পাঠিয়ে দেন তিনি।
এদিন সাংবাদিত মুখোমুখি হয়ে নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন, "কেউ পাশে নেই । সবাই এখন দিল্লিমুখী। কর্মীদের কী জবাব দেব ?"
শুক্রবার বিরোধী দলনেতার ঘরে বৈঠকে ছিলেন তৃণমূলের আরেক পদত্য়াগী রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্য়ায়ও। সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের জেলা সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি।
Before You Go
Swarup Biswas | "৮০ লক্ষ টাকা দিলে গোটা বিষয়টি...", স্বরূপের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ | ABP Ananda LIVE























