'কোনও সরকারের ক্ষমতা নেই যন্তর মন্তর থেকে প্রতিবাদ সরায়, ক্ষমা চান মোদি', সুর চড়ালেন রাহুল

নয়া দিল্লি: প্রশ্নের মুখে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা এবং ছাত্রদের ভবিষ্যৎ। NEET পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসকাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তাল দিল্লি। NEET-এর প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে ও ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে চলছে লাগাতার আন্দোলন। এদিন ফের আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
তিনি বলেন, 'ধর্মেন্দ্র প্রধান দুর্নীতিগ্রস্ত, তাঁকে বরখাস্ত করতেই হবে। এ নিয়ে কোনও যদি-কিন্তুর জায়গাই নেই। পড়ুয়াদের দাবির সঙ্গে কোনওরকম সমঝোতা নয়। অন্য কোনও মন্ত্রকে বদলিও করা যাবে না ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। পড়ুয়াদের উপর অত্যাচারের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে, কোনও সরকারের ক্ষমতা নেই যন্তর মন্তর থেকে প্রতিবাদ সরায়। সরকার সংবিধানের উপর হামলা করছে'।
প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে উত্তাল দেশ। গতকাল দ্বিতীয় বৈঠকেও মেলেনি সমাধান। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে এখনও অনড় ককরোচ জনতা পার্টি। এই প্রেক্ষাপটে আজ দুপুরে ফের বৈঠকে বসবে কেন্দ্রীয় সরকার ও CJP। এই বিষয়ে, সিদ্ধান্তের জন্য শনিবার পর্যন্ত সময় চেয়েছে কেন্দ্র। বৈঠকের পর দাবি করলেন ককরোচ জনতা পার্টি-র জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা। গতকালের মতো আজও কথাবার্তা হবে বলে জানিয়েছেন জেপি নাড্ডা।
মোদি সরকারের কাছে আন্দোলনকারীদের ৩টি দাবি। এক, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। দুই, NEET-এর প্রশ্নফাঁসের ফলে আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য। তিন, আন্দোলনকারীদের উপর থেকে FIR তুলে নেওয়া। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা দিলেও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্য়াগের দাবিতে মুখে কুলুপ এঁটেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ফলে শুক্রবার নিষ্ফলা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার ও আন্দোলনকারীদের বৈঠক।
(স্টোরিটি এই মুহূর্তে ব্রেক করা হয়েছে, আপডেট করা হচ্ছে I সাম্প্রতিকতম আপডেট পেতে রিফ্রেশ করুন)






















