RG Kar Chaos:'অভিযোগ এলে নিশ্চয়ই তদন্ত করা হবে' অভয়ার মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে মন্তব্য সিপির
Kolkata News: মেয়ের বিচার চেয়ে শনিবার পথে নেমেছিলেন অভয়ার মা। সেই নবান্ন অভিযানেই তাঁর চাঞ্চল্য়কর অভিযোগ, পুলিশ তাঁকেই মারধর করেছে।

কলকাতা: নবান্ন অভিযানে পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ তুলেছেন অভয়ার বাবা-মা। পাশাপাশি নবান্ন অভিযানে আহত হয়েছেন ৫ পুলিশকর্মী। তাঁদের মধ্যে ৩ জন ভর্তি এসএসকেএমে। আহত কর্মীদের দেখতে আজ হাসপাতালে যান সিপি মনোজ ভর্মা। সেখানে গিয়ে পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে নিহত চিকিৎসকের মায়ের অভিযোগের তদন্ত হবে।
আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের তদন্ত নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে পুলিশের ভূমিকা। একবছর পর ৯ অগাস্টে অভয়ার মা-বাবার তোলা অভিযোগে, পুলিশের ভূমিকায় নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। মেয়ের বিচার চেয়ে শনিবার পথে নেমেছিলেন অভয়ার মা। সেই নবান্ন অভিযানেই তাঁর চাঞ্চল্য়কর অভিযোগ, পুলিশ তাঁকেই মারধর করেছে। শনিবার সকালেও পুলিশের বিরুদ্ধে তাঁদের বাধা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছিলেন অভয়ার মা-বাবা। নিহত চিকিৎসকের মা বলেন, "পুলিশ, নির্লজ্জ পুলিশ, সেটা আমরা সেই ৯ তারিখ দেখেছিলাম, তারমধ্যে যে এত নির্লজ্জ হয়ে যাবে, পুলিশ একদম মেরে...এরা আমাদের কোনও বিচার দেবে না। শাঁখা ভেঙে দেওয়া হয়েছে, মাথা ফুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।''
এদিন সিপি মনোজ ভর্মা বলেন, "CCTV ফুটেজ, ভিডিও ফুটেজ, বডি ক্যামেরার ফুটেজ, ওখানে ড্রোনে নজরদারি চলছিল তার ফুটেজ দেখা হচ্ছে। আরজি করের নির্যাতিতার মা যে অভিযোগ করছেন... নিশ্চয়ই উনি আঘাত পেয়েছেন। এটা একেবারেই হওয়া উচিত নয়। কেন হল? কী কারণে হল? পুলিশ মেরেছে বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, সেটা সত্যি না মিথ্যে খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ এলে নিশ্চয়ই তদন্ত করা হবে। অভিযোগ না পেলেও...গতকাল থেকে আমরা তদন্ত করছি।
গতকাল নবান্ন অভিযানের সময়ে পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিপেটা করার অভিযোগ করেন নিহত চিকিৎসকের মা। অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে মেডিকা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা শুরু হলেও তাঁকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। কাল থেকেই তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চিকিৎসকরা। এদিন অভয়ার বাবা অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের চাপে অভয়ার মাকে ভর্তি করতে চায়নি মেডিকা হাসপাতাল। গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা চলছে তাঁর। বর্তমানে স্ত্রীর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন নিহত চিকিৎসকের বাবা। চিকিৎসার জন্য নিহতের মাকে কল্যাণী এইমসে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তবে হাসপাতাল থেকে ছাড়ার পরে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি যাবেন বলেই জানিয়েছেন নিহত চিকিৎসকের বাবা।






















