RG Kar News: তখন রাত ১ টা ৫৮ মিনিট, অন্ধকার টানেলে সন্তান, আহত রক্তাক্ত স্বামীকে নিয়ে স্ত্রী সোনালি ! RG করে লিফট কাণ্ডে অন্ধকূপের ভয়াবহ ৪৫ মিনিট এবার প্রকাশ্যে !
RG Kar Lift Accident Update : আরজি করে লিফট-বিপর্যয়ে যুবকের মৃত্য়ুর ঘটনায়, এবার প্রকাশ্যে এল অন্ধকূপের ৪৫ মিনিট।

সন্দীপ সরকার, কলকাতা: আরজি করে লিফট-বিপর্যয়ে যুবকের মৃত্য়ুর ঘটনায়, এবার প্রকাশ্যে এল অন্ধকূপের ৪৫ মিনিট। শিউরে ওঠা সেই তথ্য জানা গেল এবার আরজি কর হাসপাতালের ট্রমা কেয়ারের সিসিটিভি ফুটেজ থেকে।
সিসিটিভি র সময় অনুযায়ী, RG কর ট্রমা কেয়ারের সিসিটিভি যা ক্যামেরা বলছে-
রাত ১.৫৮ - লিফট দুর্ঘটনা, অন্ধকার টানেলে সন্তান, আহত রক্তাক্ত স্বামীকে নিয়ে স্ত্রী সোনালি।
রাত ২.৪০- বেসমেন্টের অন্যদিকের গেট খুলে ঢুকলো উদ্ধারকারীরা।
রাত ২.৪৩ - খোলা হলো লিফটের সামনের গ্রিলের তালা।
রাত ২.৪৪ - প্রায় অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হলো আহত শিশুকে।
রাত ২.৪৫ - অরূপ ব্যানার্জির দেহ তুলে আনা হলো টানেল থেকে। উদ্ধার করা হলো তার স্ত্রীকেও।
আর জি কর হাসপাতালের লিফটে পিষে মৃত্যু। এবার সামনে এল সেই ভয়ঙ্কর মুহূর্তের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ। রক্তাক্ত অরূপ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে উদ্ধার থেকে, তাঁর শিশুকে উদ্ধার--পুরোটাই ধরা পরেছে সিসি ক্যামেরায়।ছেলের চিকিৎসা করাতে এসে, আর জি কর হাসপাতালের লিফটে পিষে মৃত্যু হয়েছে, দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের।এবার সামনে এল সেই ভয়ঙ্কর মুহূর্তের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ।অন্ধকূপে প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট আটকে থাকা। রক্তাক্ত অরূপ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে উদ্ধার থেকে, প্রায় অচৈতন্য অবস্থায় তাঁর শিশুকে উদ্ধার--পুরোটাই ধরা পরেছে ট্রমা সেন্টারের বেসমেন্টে লাগানো সিসি ক্যামেরায়।বেসমেন্টে লিফটের সামনে লোহার গ্রিলে তালা লাগানো ছিল। তাই লিফট নীচে নেমে যাওয়ার পর, অরূপ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়, তাঁর স্ত্রী ও ছেলে, কেউই বেরোতে পারেননি। সিসিটিভি ক্যামেরার ধরা পড়েছে সেই ছবি।
লিফট দুর্ঘটনায় মৃতের স্ত্রী বলেন বেসমেন্টে যখন গেল, তখন দরজাটা খুলে গেল। একটু ফাঁকা রেখে গ্রিল। গ্রিলে তালা দেওয়া। আমার স্বামী বলছেন, না, ভিতরে ঢুকব না। অর্থাৎ, বেসমেন্টে লিফট ও গ্রিলের মাঝে এই যে অংশটুকু, এইখানে অপেক্ষা করছিলেন ৩ জন।কিন্তু হঠাৎ করেই লিফটটা উঠতে থাকে ওপরে। আর, অরূপ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের জামা বা কিছু আটকে যায় লিফটের সঙ্গে।ঘষতে ঘষতে ওপরে উঠতে থাকেন তিনি।এদিকে, অরূপ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের স্ত্রী ও সন্তান, পড়ে যান লিফটের নীচে গর্তে। লিফট দুর্ঘটনায় মৃতের স্ত্রী বলেন, ওই গর্তের মধ্য়ে আমি, আমার ছেলে পড়ে যাই। দুমড়ে মুচড়ে পড়ে যাই। স্বামী, চাপা লেগে, ওর মধ্য়ে আটকে গেছে। ছেলেকে কোনওক্রমে এই গ্রিলের সামনে তুলে দিতে পেরেছিলেন। নিজে তখনও গর্তে। তখনই তাঁর কোলে এসে পড়ে স্বামীর রক্তাক্ত শরীর। লিফট দুর্ঘটনায় মৃতের স্ত্রী বলেন, বরের মৃতদেহ আমার কোলে এসে পড়েছে। রক্তাক্ত মৃতদেহটা আমার কোলে পড়েছে। ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত দুটো চল্লিশ। বেসমেন্টে যাওয়ার সিঁড়ির গেটের তালা খুলে, নীচে নামেন হাসপাতালের কর্মীরা। লিফট থেকে একে একে ৩ জনকে উদ্ধার করা হয়।






















