RG Kar News: 'ওঁকে ওতো ব্যস্ত হয়ে এগিয়ে এসে কিছু করতে হবে না' মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে নিহত চিকিৎসকের বাবা
Kolkata News: আর জি কর-কাণ্ডে শিয়ালদা কোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নন মুখ্যমন্ত্রী। গতকালই তা তিনি স্পষ্ট করেছিলেন।

কলকাতা: আর জি করে চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে সঞ্জয় রায়ের আমৃত্যু কারাদণ্ড। আর সঞ্জয়ের ফাঁসি চেয়ে এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ রাজ্য। সঞ্জয়ের ফাঁসির আবেদন জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা। যদিও তাতে সায় নেই তিলোত্তমার পরিবারের।
আর জি কর-কাণ্ডে শিয়ালদা কোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নন মুখ্যমন্ত্রী। গতকালই তা তিনি স্পষ্ট করেছিলেন। আর এবার দোষী সঞ্জয় রায়ের সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে মামলা দায়ের করেছে রাজ্য। এদিন নির্যাতিতার বাবা বলেন, "আস্থা রেখেছিলাম, বিচারক আস্থার মর্যদা রেখেছেন। সিবিআই সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে তথ্য প্রমাণ দিতে পারেনি বলেই যাবজ্জীবন হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড হয়নি। আমরা পুরো কালকের রায়ের কপি হাতে পাব এবং পড়ব। তারপর আমরাই সিদ্ধান্ত নেব। ওঁকে ওত ব্যস্ত হয়ে এগিয়ে এসে কিছু করতে হবে না। মুখ্যমন্ত্রী এতদিন যা করেছেন আর যেন উনি না করেন, এটাই আমাদের অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে', বললেন নির্যাতিতার বাবা।
সোমবার আর জি কর মেডিক্য়ালে ধর্ষণ-খুনের মামলায় দোষী সাব্য়স্ত সঞ্জয় রায়কে আমৃত্য়ু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল শিয়ালদা আদালতের বিচারক অনির্বাণ দাস। এই রায় ঘিরে চরম হতাশ আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। ফের আন্দোলনে রাজপথে তারা। পথে নেমেছে বাম-কংগ্রেসও। আর এই আবহেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও।
মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, আমৃত্য়ু কারাদণ্ডের রায়ে সন্তুষ্ট নন তাঁরা। চরমতম শাস্তির পক্ষে তিনি। এমনকী সোশাল মিডিয়াতেও ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। কিন্তু মুখ্য়মন্ত্রীর এই অবস্থানের সঙ্গে মোটেও সহমত নয় নিহত চিকিৎকের মা-বাবা। গতকালই তা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন তাঁরা।
গতকাল মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, "আমরা প্রথম দিন থেকেই ফাঁসির দাবি করে এসেছিলাম। এবং আজকেও আমরা সেই দাবিতে অটুট আছি।আমরা তিনটে কেসে আপনারা দেখেছেন ৫৪ দিন থেকে ৬০ দিনের মধ্যে আমরা ফাঁসির অর্ডার করিয়ে দিয়েছি কিন্তু আমি জানি না এটা এত সিরিয়াস কেস এবং এটা নিয়ে ফাঁসির দাবি আমাদের সবার ছিল। আমি জানি না কীভাবে লড়াই করেছে, কী করেছেন, কী যুক্তি,একমাত্র আইনজীবীরা জানেন। আমাদের হাত থেকে তো কেসটা ইচ্ছে করে কেড়ে নিয়ে চলে গেল। এই নরপিশাচদের চরমতম শাস্তি হওয়া উচিত।''
আরও পড়ুন: Kamarhati Building Collapse: সোজা করতে গিয়ে বিপত্তি, ফের হেলে পড়ল নির্মীয়মাণ বহুতল






















