RG Kar Update: মৃত্যুর ৩ মাস পরে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ লিভ করেছেন আরজি করের নির্যাতিতা? পরিবারের বিস্ফোরক দাবি
RG Kar News: খুনের পর নির্যাতিতার ফোন সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন তা ব্যবহার করা হয়েছে। লোপাট করা হয়েছে প্রমাণ।

কলকাতা: আরজি কর মামলায় আদালতে প্রমাণ পেশ করে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন নিহত চিকিৎসকের পরিবারের আইনজীবী। তাঁর দাবি, দেহ উদ্ধারের প্রায় তিন মাস পর একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে নির্যাতিতার ফোন নম্বর 'লিভ' করেছে বলে দেখা যাচ্ছে। এদিনই শিয়ালদা আদালতে ধর্ষণ-খুনের মামলায় তৃতীয় স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই।
খুনের পর নির্যাতিতার ফোন সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন তা ব্যবহার করা হয়েছে। লোপাট করা হয়েছে প্রমাণ। আরজি কর মামলায় আদালতে প্রমাণ পেশ করে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন নিহত চিকিৎসকের পরিবারের আইনজীবী। আরজি কর মেডিক্যালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের মামলায় সোমবার শিয়ালদা আদালতে তৃতীয় স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই। এদিনই আদালতে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তোলা হয় নিহত চিকিৎসকের পরিবারের তরফে।
তাদের দাবি, এখনও আদালতে সিবিআই দাবি করছে নির্যাতিতার মোবাইল ফোন খোলা হয়নি। অথচ, ৯ অগাস্ট নির্যাতিতার দেহ উদ্ধারের প্রায় তিন মাস পর একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে নির্যাতিতার ফোন নম্বর 'লিভ' করেছে বলে দেখা যাচ্ছে। নিহত চিকিৎসকের পরিবারের আইনজীবী দাবি করেন, স্টেটাস রিপোর্টে আসল জায়গা থেকে নজর ঘোরাচ্ছে সিবিআই। WhatsApp গ্রুপের লাস্ট লাইনটা দেখুন স্যার। প্রমাণ লোপাটের চূড়ান্ত প্রমাণ। নিহত চিকিৎসকের বাবা বলছেন, 'সিবিআই এখন দেখা হলে মুখ লুকিয়ে পালিয়ে যায়। যেন ওরাই ক্রাইম করেছে।'
এদিন আদালতে নিহত চিকিৎসকের পরিবারের আইনজীবী বলেন, ঘটনার আগে, ঘটনার পরে কী হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে আমরা একটা সিনোপসিস তৈরি করেছি। এখানে অনেক প্রশ্নের উত্তর আছে। এই মামলার তদন্তকারী অফিসারকে সেই ঘটনার সময় দেখেছিলাম। তারপর আর দেখিনি। কাকে দেব এইসব? পাল্টা সিবিআই-এর আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, পরিবারের আইনজীবী যে সিনোপসিস দিলেন তা গ্রহণযোগ্য কিনা দেখা হোক। সূত্রের খবর, আদালতে দেওয়া স্টেটাস রিপোর্টে সিবিআই জানিয়েছে, আরজি কর মামলায় নতুন করে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে শতাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল, সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া খতিয়ে দেখা হচ্ছে ঘটনার পরবর্তী ২০০টি ভিডিও ক্লিপ । ১০ জুন পরবর্তী শুনানি।
অন্যদিকে, সাত মাস পরে আরজি করের নির্যাতিতার ডেছ সার্টিফিকেট পেয়েছে পরিবার। ৯ অগাস্ট, ২০২৪, আর জি কর মেডিক্যালে চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের সেই ঘটনা আজও ভুলতে পারেনি গোটা দেশ। আর সেই ঘটনায় অভয়া অর্থাৎ নিহত চিকিৎসকের পরিবার মেয়ের ডেথ সার্টিফিকেট পায়নি। মানুষ বিচারের দাবিতে পথে নেমেছে বারে বারেই। গর্জে উঠেছে কলকাতা, বলেছে 'উই ওয়ান্ট জাস্টিজ'। এখনও কলকাতার রাস্তায় রাস্তায় চোখে পড়ে অভয়ার মৃত্যুর প্রতিবাদে মিছিল। তবে সেই মিছিলের রোষ কিছুটা স্থিমিত। কেটে গিয়েছে ৮ মাস। এখনও মেলেনি বিচার।






















