SIR News: 'SIR-এর নাম শুনে কাঁপতে কাঁপতে কিছু পালিয়েছে', কাঁটাতার টপকে পালানোর চেষ্টা বাংলাদেশিদের ?
Coochbehar News: এর মধ্য়ে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় অস্বাভাবিক ভোটার বৃদ্ধি নিয়ে সরব হয়েছেন বাসিন্দারা।

শুভেন্দু ভট্টাচার্য : গত কয়েকদিনে একের পর এক বাংলাদেশি গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে, 'SIR' আতঙ্কে বাংলাদেশিরা কাঁটাতার টপকে কি ওপারে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন ? লাগাতার বাংলাদেশি গ্রেফতার হওয়া নিয়ে মঙ্গলবার সুর চড়ান শুভেন্দু অধিকারী। পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এর মধ্য়ে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় অস্বাভাবিক ভোটার বৃদ্ধি নিয়ে সরব হয়েছেন বাসিন্দারা।
'SIR' আতঙ্কে বাংলাদেশিরা কাঁটাতার টপকে কি ওপারে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন ? গত কয়েকদিনে একের পর এক বাংলাদেশি গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় এই প্রশ্নই ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। সোমবার, উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরে বাংলাদেশ ফিরে যাওয়ার পথে চারজনকে আটক করে BSF। রবিবার, বাংলাদেশে ফেরার পথে গ্রেফতার হয় আরও ৩৫ জন। ৩১ অক্টোবর অর্থাৎ, শুক্রবার, এই স্বরূপনগরেই অবৈধভাবে সীমান্ত পেরোনোর সময় ধরা পড়ে ১০ শিশু-সহ মোট ৪৫ জন বাংলাদেশি নাগরিক।
লাগাতার বাংলাদেশি গ্রেফতার হওয়া নিয়ে মঙ্গলবার সুর চড়ান শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা বলেন, "এ তো মাত্র স্বরূপনগরে মাত্র ৯৪টা ধরা পড়েছে। SIR-এর নাম শুনে কাঁপতে কাঁপতে কিছু পালিয়েছে। নিউটাউনে হঠাৎ করে সকালবেলা কাজের লোকেরা নেই। বড় জাগুলিতে দেখুন ফাঁকা হয়ে গেছে।" এ প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, "বাংলাভাষায় কথা বললেই বাংলাদেশি হয় না। যেমন, হিন্দি ভাষায় কথা বললে, সবাই পাকিস্তানি হয়ে যায় না বা উর্দু ভাষায় কথা বললে। যে যেখানে কাজ করতে যাচ্ছে, সবাইকে বাংলাদেশি আখ্য়া দেওয়া হচ্ছে। যদি রোহিঙ্গা আর বাংলাদেশিরা আসে, রোহিঙ্গা যদি আসে, আসবে কোথা দিয়ে ? আমাদের বাংলার তো বর্ডার নয়। ওটা বর্ডার কার ?"
অনুপ্রবেশ কি ভয়ঙ্কর চেহারা নিয়েছে? এই প্রশ্নের মধ্য়েই কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় অস্বাভাবিক ভোটার বৃদ্ধি নজরে এসেছে। সেখানকার কুচলিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২২২ নম্বর বুথের ২৫ তিস্তা পয়স্তির বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোথাও ভোটার বেড়েছে দ্বিগুণ। তো কোথাও ৬ গুণ। কোথাও সাড়ে ৬০০ বেড়ে হয়েছে প্রায় ১৪০০! তো কোথাও ৫০ হয়েছে ৩০০! মেখলিগঞ্জের ২৫ তিস্তা পয়স্তির এক বাসিন্দা বলেন, "খোলাই থাকে এটা। হয়তো সেই ভাবেই লোক এদিকে আসছে। আবার প্রাইমারি একটা স্কুল আছে হয়তো নাম ভর্তি করে এখন ভারতের নাগরিকত্ব ওরা দখল করতে চায়। তো এই হলে তো বাড়তেই থাকবে। কাদের মদতে বলতে গেলে এটা শাসকদল, ওদেরও কিছু সহযোগিতা হয়তো আছে। তা ছাড়া এত...আসতে পারে না। "
এনিয়ে, বিজেপি যখন দাবি করছে, তৃণমূলের মদতেই এই অনুপ্রবেশ ঘটেছে। তখন পাল্টা তৃণমূলের প্রশ্ন, সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব কার? জলপাইগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক দধিরাম রায় বলেন, "বেড়া না থাকার কারণে সেখানে বাংলাদেশিরা ঢুকছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে কাগজ তৈরি করার ফ্যাক্টরি বলা যায়। শাসকদলের একশ্রেণির নেতা এটা করে দিচ্ছে।" যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র পার্থপ্রতিম রায় বলেন, "এ কথা ঠিক যে সীমান্তের কিছু অংশ এখনও আন-ফেন্সিং রয়েছে। তার বড় অংশই হল ওয়াটার বডি। যেখানে কার্যত কাঁটাতার দেওয়া সম্ভব নয়। এর সমাধান কীভাবে হবে তার দায়বদ্ধতা সম্পূর্ণরূপে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের।" সবমিলিয়ে, অনুপ্রবেশ ইস্যুতে চড়া রাজনীতির সুর।
Before You Go
Nadia Congress Leader Death | জেলে বসেই সপুত্র কংগ্রেস নেতাকে খুনের চক্রান্ত TMC নেতার?





















