SIR Case : 'চাইলে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের বিচারক' সময়ে কাজ শেষ করতে ফের বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
SIR-এ নথি যাচাইয়ে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড থেকেও জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করা যাবে। জানাল সুপ্রিম কোর্ট।

বিজেন্দ্র সিংহ, সৌভিক মজুমদার, নয়াদিল্লি : সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে সোমবার থেকেই 'লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি'র নথি যাচাই ও নিষ্পত্তির কাজ শুরু করেছেন বিচারকরা।শনিবার পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কমপক্ষে ৪৫ লক্ষ ভোটারের নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে হাইকোর্ট নিযুক্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। এই পরিস্থিতিতে সময়ের মধ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ করার জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল সুপ্রিম কোর্ট।
SIR-এ নথি যাচাইয়ে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডের বিচারকও
সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে SIR মামলার শুনানিতে বিচারক নিয়োগ নিয়ে নতুন নির্দেশ দেওয়া হয় । গত শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার শুনানিতে স্পষ্ট বুঝিয়ে দেয়, যাই হোক না কেন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ২৮ তারিখই প্রকাশ করতে হবে। প্রয়োজনে পরে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করে নাম যোগ করা যেতে পারে। এই তারিখের মধ্যে কাজ শেষ করতে দরকারে বেশি সংখ্যক বিচারক নিয়োগও করা যাবে বলে , জানাল শীর্ষ আদালত। সেক্ষেত্রে SIR-এ নথি যাচাইয়ে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড থেকেও জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করা যাবে। সেক্ষেত্রে দেওয়ানি বিচারকদের কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। জানাল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের মতে, ঠিক সময়ে কাজ শেষ করার জন্য এখনও পর্যন্ত পর্যাপ্ত সংখ্যক বিচারক নিয়োগ হয়নি। প্রত্যেক বিচারক প্রতিদিন ২৫০টি শুনানি করলে ৮০ দিন লাগবে।আদালত আরও জানায়, ভিন রাজ্য থেকে বিচারক আনলে তাঁদের খরচ দেবে কমিশন।
ভাষা-সমস্যায় সুপ্রিম কোর্টের 'অখণ্ড' উদাহরণ
শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশ শুনে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন, অন্য রাজ্য থেকে বিচারক আনতে ভাষা নিয়ে সমস্যা হতে পারে। তার জবাবে শীর্ষ আদালত জানায়, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা আগে অখণ্ড ছিল, তাঁদের পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে ধারণা আছে।
আগের দিন শুনানিতে এসআইআরের কাজ ঠিক সময়ে শেষ করতে বেনজির নির্দেশ দেয় আদালত। 'লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি'র ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বর্তমান এবং প্রাক্তন জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগের জন্য় কলকাতা হাইকোর্টকে নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি। এই নির্দেশ দিতে গিয়ে সংবিধানের ১৪২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে সর্বোচ্চ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই শনিবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, মুখ্যসচিব, ডিজিপি-সহ সংশ্লিষ্ট পদাধিকারীদের নিয়ে বৈঠক করেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। সোমবার থেকে কাজ শুরু করেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নিযুক্ত বিচারকরা।
























