Siuli Saha : 'অনেক জ্বালিয়েছে, অত্যাচার করেছে', মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে পৌঁছাতেই 'ঋতব্রত তৃণমূল'-এর বিধায়ককে 'গো ব্যাক' স্লোগান
Paschim Medinipur News : কেশপুরের মোহবনীতে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে পৌঁছান শিউলি সাহা। তাঁকে দেখে 'গো ব্যাক' স্লোগান তোলেন একাংশ।

কেশপুর : রাজ্যে পালাবদলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছেন তৃণমূল বিধায়কদের বড় অংশ। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-এর শিবিরে নাম লিখিয়েছেন তাঁরা। সেই শিবিরের অন্যতম মুখ শিউলি সাহা। 'ঋতব্রত তৃণমূল'-এর এই বিধায়ককে এবার শুনতে হল 'গো ব্যাক' স্লোগান। কেশপুরের মোহবনীতে মুখ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে পৌঁছান শিউলি সাহা। তাঁকে দেখে 'গো ব্যাক' স্লোগান তোলেন একাংশ। ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবসে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।
সেখানে উপস্থিত এক মহিলা শিউলি সাহার উদ্দেশে বলেন, "আমি উৎপল পাঁজার মা বলছি। শিউলি সাহা হটাও। উৎপল পাঁজার মা বলছি। আমাদের অনেক জ্বালিয়েছে, অনেক অত্যাচার করেছে। অনেক মেরেছে, অনেক গাল দিয়েছে। আমার স্বামীকে মেরে পঙ্গু করে রেখেছে। শুধু শুধুই লোক লাগিয়ে মেরেছে।"
এর আগে গত জুন মাসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক করেছিলেন একদা মন্ত্রী এবং এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কেশপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী শিউলি সাহা। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠকের পর তিনি বলেছিলেন, 'নিঃসন্দেহে খুব ভাল লাগল। উনি (মুখ্যমন্ত্রী) ধৈর্যের সঙ্গে শুনেছেন প্রত্যেকটা প্রোপোজাল। আমার কলেজটা করে দেওয়ার জন্য হায়ার অথরিটিকে ওখানেই ধরলেন ভিডিও কনফারেন্সে, বলে দিলেন যে, সম্ভব হলে ওটা করে দিতে। যা যা প্রোপোজাল বললেন ওঁর পিএস- এর কাছে জমা দিতে। প্রত্যেকটা প্রোপোজাল শুনেছেন। খুবই ভাল লাগল।' সেবার কোলাঘাটে ছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠক।
সেদিন আগের সরকার নিয়ে কিছুটা উষ্মা প্রকাশও করেছিলেন শিউলি সাহা। তিনি বলেছিলেন, 'আগের সরকারের প্রশাসনিক বৈঠকে মন্ত্রী থাকাকালীনই, একটা বলার পর সেকেন্ডবার বলার সুযোগ থাকত না। একটা প্রোপোজাল দেওয়ার পর সেকেন্ড প্রোপোজাল বললে, বলত বোস, আর বলতে হয় না। আগের সরকারের সময় কাজ হয়নি এটা বললে নিন্দুক হয়ে যাব। কাজ তো নিশ্চয় হয়েছে। ১৫ বছরের সামাজিক প্রকল্পগুলো এখনও রান করছে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কোনওটাই বন্ধ করে দেননি। তাহলে কাজ তো নিশ্চয় হয়েছে। নির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাবের কোনও কোনও ক্ষেত্রে সদুত্তর পাইনি। মন্ত্রিসভাতে আমাদের কোনও কথা শোনেননি। বলার কোনও সুযোগ ছিল না। চিঠি দিতে গেলেও মুশকিল ছিল। মন্ত্রিসভাতে কথা বলার কোনও সুযোগ আমাদের কাছে ছিল না। মন্ত্রী হিসেবে একটাও ফাইল আমার কাছে আসেনি। যেহেতু গ্রাম পঞ্চায়েত দফতরে ছিলাম, তাই কেউ মারা গেলে, ওই যে চাকরি দেওয়ার ব্যাপার, সেই ফাইল কখনও সখনও এসেছে। বাকি মন্ত্রী হিসেবে কোনও কাজ ছিল না।'






















