BJP News: রাজ্যে পালাবদলের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার আরও একটি পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় এল বিজেপি
South 24 Pargana: উপস্থিত সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে বিজেপি সদস্য তথা ৬ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি রাজু হালদারকে উপপ্রধান নির্বাচিত করেন। তৃণমূলের দখলে ছিল এই পঞ্চায়েত।

গৌতম মণ্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাজ্যে পালাবদলের পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার আরও একটি পঞ্চায়েতের ক্ষমতায় এল বিজেপি। মথুরাপুর এক নম্বর ব্লকের দেবীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান হলেন বিজেপির রাজু হালদার। ১৬ জন সদস্যদের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪জন বিজেপির ৪জন ও সিপিএমের ২জন সদস্য গ্রাম পঞ্চায়েতে এসে উপস্থিত হন। উপস্থিত সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে বিজেপি সদস্য তথা ৬ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি রাজু হালদারকে উপপ্রধান নির্বাচিত করেন। তৃণমূলের দখলে ছিল এই পঞ্চায়েত। পরে অনাস্থা এনে অপসারিত করা হয় প্রধান ও উপপ্রধানকে।
উল্লেখ্য, রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিভিন্ন প্রান্তে পঞ্চায়েতগুলো বিজেপির ক্ষমতায় এসেছে। তৃণমূলের সমর্থনে পঞ্চায়েত দখল করল বিজেপি। বাঁকুড়ার জগদল্লা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের দখল নিয়েছিল বিজেপি। আগেই ইস্তফা দিয়েছিলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান। ভোটাভুটিতে তৃণমূলের ৭ সদস্য ও সিপিএমের এক সদস্য বিজেপিকে সমর্থন করেন। প্রধান নির্বাচিত হন বিজেপির শ্যামলী চেল ও উপ প্রধান হয়েছিলেন উত্তম মহাদানি। এরপর বিজেপি কর্মীরা পঞ্চায়েত অফিসে গঙ্গাজল ছিটিয়ে শুদ্ধকরণ করেন।
বাঁকুড়ার ১ নম্বর ব্লকের জগদল্লা ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে গিয়েছে বাংলায় বিজেপি সরকার আসার পর। ২০২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩টি আসনের মধ্যে ৮টি আসন পেয়ে বোর্ড গড়েছিল তৃণমূল। সেই সময়ে বিজেপির ঝুলিতে ছিল ৪টি আসন ও সিপিএম পেয়েছিল ১টি আসন। সম্প্রতি তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান ইস্তফা দেন। এরপরই নতুন প্রধান নির্বাচনের জন্য ভোটাভুটি হয়। উপস্থিত ১২ জন ভোট দেন। বিজেপির ৪ জন সদস্যের সঙ্গে হাত মেলান তৃণমূলের ৭ জন ও সিপিএমের এক সদস্য। সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করে প্রধান নির্বাচিত হন বিজেপির শ্যামলী চেল। উপপ্রধান হন উত্তম মহাদানি।
ছবিটা নদিয়াতেও একই। কয়েকদিন আগেই তৃণমূলের সমর্থনে নদিয়া জেলা পরিষদে বোর্ড গঠন করেছে বিজেপি।সেই একই ছবি দেখা গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনার লক্ষ্মীনারায়ণপুর দক্ষিণ গ্রাম পঞ্চায়েতে। তৃণমূলের সমর্থনে প্রধান নির্বাচিত হয়েছিলেন বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য! ২১ আসনের এই পঞ্চায়েতে বিজেপি জিতেছিল ৮টি আসন, তৃণমূল ৬টি, ISF ৫টি ও সিপিএম এবং নির্দল প্রার্থী ১টি করে আসনে জয়ী হয়েছিলেন। তৃণমূলের জমানায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও বোর্ড গঠন করে পারেনি বিজেপি। তৃণমূল, আইএসএফ, সিপিএম ও নির্দল সদস্যদের সমর্থনে নির্দল প্রার্থী খয়রুন বিবি লস্কর পঞ্চায়েত প্রধান হন। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলে অনাস্থা আনেন পঞ্চায়েত সদস্যদের একাংশ। তৃণমূলের সমর্থনে নির্বাচিত প্রধান অপসারিত হন।
Before You Go
Kajal Sheikh : হামিদুল, সন্দীপন, শিউলির পরে এবার জল্পনা বাড়ালেন কাজল শেখ | TMC | ABP Ananda























