South 24 Parganas News : লক্ষ্মী পুজোর দিন হারিয়েছিলেন এক আত্মীয়কে, এবার প্রাণ হারালেন নিজেও, তবে 'ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়নি বন্দনা সর্দারের', দাবি এম আর বাঙুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের
Dengue Positive Lady Death in Rajpur Sonarpur Municipality: বেশ কিছুদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন, রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলার মৃত্যু ! কী দাবি এম আর বাঙুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ?

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ২০ দিন আগে ডেঙ্গিতে মৃত্যু, সেই পরিবারেই হাসপাতালে আরও এক মহিলার মৃত্যু । রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের ক্ষুদিরাম সরণীর বাসিন্দা বন্দনা সর্দারের মৃত্যু । ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েই এম আর বাঙুর হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে, দাবি বন্দনার পরিবারের। ডেঙ্গিতে মৃত্যু হয়নি, দাবি এম আর বাঙুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের । জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন ৪৪ বছর বয়সি মহিলা, রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গি মেলেনি, দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। এদিকে ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের আরও অনেকে ডেঙ্গি আক্রান্ত, অভিযোগ এলাকাবাসীর। নিকাশির বেহাল দশা নিয়ে সোচ্চার ওয়ার্ডের বাসিন্দারা
রাজ্যে ধীর গতিতে হলেও বাড়ছে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার প্রকোপ। এই আবহে, রাজ্য সরকারের কাছে প্রায় ৯২ কোটি টাকা চাইল পুর ও নগর উন্নয়ন দফতরের অধীনস্থ স্টেট আরবান ডেভলপমেন্ট এজেন্সি বা SUDA. সেইসঙ্গে এই কাজের জন্য কমপক্ষে ৩০ হাজারেরও বেশি কর্মীও নিয়োগ করা হয়েছে। উৎসবের আবহেও পিছু ছাড়ছে না উদ্বেগ। রাজ্যে বেড়েই চলেছে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে মশা মারতে রাজ্য সরকারের কাছে প্রায় ৯২ কোটি টাকা চাইল পুর ও নগর উন্নয়ন দফতরের অধীনস্থ স্টেট আরবান ডেভলপমেন্ট এজেন্সি বা SUDA। ডেঙ্গি-ম্য়ালেরিয়ার জীবাণু বহনকারী মশার বংশ ধ্বংস করতে আগামী ২ মাস বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করবে পুরসভাগুলি। এই কাজের জন্য ৩৭ হাজার ৭২০ জন চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নিয়োগ করা হয়েছে ৪ হাজার ২৫১ জন সুপারভাইজার, এবং ৮৯০ জন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর।
ইতিমধ্যেই মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায় ২৫ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে রাজ্য সরকার। খরচ সংক্রান্ত হিসাব-নিকাশ জমা দিলে ধাপে ধাপে বাকি টাকা দেওয়া হবে। মাইক্রোবায়োলজিস্ট সৌগত ঘোষ বলেন, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া বাড়ছে। পুজোর প্যান্ডেল, পুজোয় সাফাই কম হওয়া দায়ী। রাজ্য সরকারের তরফে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকে পাঠানো পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবছর ৩১শে অগাস্ট পর্যন্ত রাজ্যে ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৩৪ জন। আর ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা দশ হাজার ছুঁই ছুঁই। তেসরা অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৪০০ জন। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ জয়দেব রায় বলেন, জ্বর হলে অপেক্ষা করবে না। নিজে ডাক্তারি করবেন না।' এদিকে, শীতের অপেক্ষায এখন গোটা রাজ্য, কিন্তু, ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার দাপট কতদিন চলবে? সেটাই প্রশ্ন।






















