Kasba College Incident: 'গুলি খেতে রাজি আছি', কসবাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃষ্টি মাথায় নিয়েই মিছিলে শুভেন্দু; 'কন্যা বাঁচাও' স্লোগান তুলল BJP
Manojit Mishra: আদালতে জমা দেওয়া খোদ পুলিশের নথিতেই মনোজিৎ মিশ্রকে প্রভাবশালী তকমা দেওয়া হয়েছে, কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে মনোজিতদের বিরুদ্ধে এবার যুক্ত করা হল অপহরণের ধারা।

শিবাশিস মৌলিক, কলকাতা : কসবাকাণ্ডের প্রতিবাদে ফের পথে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাসবিহারী মোড় থেকে মিছিল শুরু হয়েছে। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই সেই মিছিল কসবার দিকে এগিয়ে চলেছে। মিছিলে ঝাঁটা হাতে শামিল হয়েছেন দলের মহিলা কর্মীরা, রয়েছেন যুব মোর্চার কর্মী-সমর্থকরাও। 'কন্যা বাঁচাও' স্লোগান তুলে সেই মিছিল এগিয়ে চলেছে সাউথ ক্যালকাটা ল'কলেজের দিকে। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই তাঁর মিছিলে শামিল হওয়া নিয়ে শুভেন্দু বলেন, "বাংলার প্রচুর বোন কাঁদছে। আমাদের কাছে ভেজাটা কোনও ব্যাপার নয়। যত বৃষ্টি হবে তত তাড়াতাড়ি মমতার বিদায় হবে। সব চলেছে। অভয়ার চোখ থেকে রক্ত বেরিয়েছে। বৃষ্টিতে ভেজা কোনও ব্যাপার নাকি ! গুলি খেতে রাজি আছি আমরা।"
এর আগে আইন কলেজে গণধর্ষণকাণ্ডে গড়িয়াহাটে বিক্ষোভ দেখিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার-সহ ৬৫ জন বিজেপি নেতা, কর্মী। নিঃশর্তে মুক্তির দাবিতে বেল বন্ডে সই করতে চাননি সুকান্ত মজুমদার, তমোঘ্ন ঘোষ, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়রা। এই নিয়ে রাতভর টানাপোড়েন চলে। লালবাজারের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। পরের দিন সকালেও উত্তেজনা ছড়ায়। স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়। বিজেপি কটাক্ষ করে, কার্যত ছুঁচো গেলার মতোই তাদের দাবি মেনে নেয় পুলিশ। লালবাজারের লকআপে রাত কাটিয়ে প্রায় ১৪ ঘণ্টা পর বেরিয়ে পুলিশ এবং রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপি নেতা ও আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।
কসবাকাণ্ডে তদন্তের গতিপ্রকৃতি
আদালতে জমা দেওয়া খোদ পুলিশের নথিতেই মনোজিৎ মিশ্রকে প্রভাবশালী তকমা দেওয়া হয়েছে, কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে মনোজিতদের বিরুদ্ধে এবার যুক্ত করা হল অপহরণের ধারা। গতকাল আলিপুর আদালতে আরও ধারা যুক্ত করার আবেদন জানায় পুলিশ। আবেদন মঞ্জুর হওয়ায় যুক্ত করা হয় ৬টি নতুন ধারা। এর মধ্যে ৩টি ধারা জামিন অযোগ্য। সব মিলিয়ে কসবাকাণ্ডে মোট ৯টি ধারা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি জামিন অযোগ্য ধারা। এর পাশাপাশি, আদালতে জমা দেওয়া নথিতে মনোজিতকে প্রভাবশালী বলে উল্লেখ করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা পরস্পরবিরোধী বয়ান দিয়ে তদন্তকে ভুল পথে চালিত করে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
অন্যদিকে, সাউথ ক্যালকাটা ল’ কলেজে গণধর্ষণকাণ্ডে আরও একজন সরকারি আইনজীবী নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার। স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর বিভাস চট্টোপাধ্যায়কে নিয়োগ করা হয়েছে।






















