Suvendu Adhikari: বিরল রোগে আক্রান্ত ৫ মাসের শিশুর চিকিৎসার খরচ ১৭ কোটি! জনতার দরবারে পরিবার, আশ্বস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী
CM Suvendu Adhikari Janatar Darbar: রাজ্য বিজেপির সদর দফতরে সল্টলেকে আজ ফের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জনতার দরবারের আয়োজন করেছিলেন।

কলকাতা: জীবনের শুরু থেকেই কঠিন লড়াই। বিরল রোগে আক্রান্ত ছোট্ট শিশু। বয়স মাত্র পাঁচ মাস। চিকিৎসার খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবার। সাহায্যের আশায় সন্তানকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে (CM Suvendu Adhikari Janatar Darbar) হাজির হলেন বাবা-মা।
বেলঘড়িয়ার নিমতার বাসিন্দা সুপ্রিয় ঘোষ ও কোয়েল ঘোষ। তাঁদের সন্তান শ্রীনিকের বয়স মাত্র ৫ মাস। শারীরিক জটিলতার কারণে হাত-পা নাড়াতেই পারে না একরত্তি শিশু। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই রোগ সারানোর একমাত্র উপায় জিন থেরাপি, যার খরচ প্রায় ১৭ কোটি টাকা! এই বিপুল খরচ চালাতে গিয়ে দিশেহারা দম্পত্তি আজ সল্টলেকে মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) জনতার দরবারে হাজির হয়েছিলেন। সেখানে পেলেন আশ্বাস।
একরত্তির মা কোয়েল ঘোষ জানান, ‘ওর একটা জিন নেই। যার জন্য ওর মাসলের টোন নেই, মাসলগুলো কাজ করে না ঠিক করে। সেই জন্য ও হাত-পা ছুড়তে পারে না। হাত-পা তুলতে পারে না। পা তো তুলতেই পারে না। এর একটাই চিকিৎসা, জিন থেরাপি যেটাকে বলা হয়। সেটার খরচ প্রায় ১৭ কোটি টাকা। আমাদের মতো পরিবারে তো সেটা সম্ভব নয়।’
তাই মঙ্গলবার সল্টলেকে মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে সাহায্যের আবেদন করে শ্রীনিকের পরিবার। তাঁর বাবা সুপ্রিয় ঘোষ জানালেন মুখ্যমন্ত্রীর যতটা সম্ভব সাহায্যের আশ্বাস মিলেছে। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘মুখ্যমন্ত্রী মহাশয় আমাদের আশ্বস্ত করলেন যে ওর চিকিৎসার জন্য যতটা যেরকম করা যায়, সব ব্যবস্থা মোটামুটি তারা করবেন। ওঁর সাহায্য ছাড়া এই চিকিৎসা আমাদের পক্ষে করানো কোনওভাবেই সম্ভব হবে না।’
বিরল রোগে আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রীর এলাকা, পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির বাসিন্দা সুমন ধাড়াও। ২০১৯ সাল থেকে হাঁটাচলা করতে পারে না। রোজ ফিজিওথেরাপি করতে হয়। মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার খরচ টানা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
সাহায্যের আর্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে হাজির হয়েছিলেন তাঁরাও। সুমন ধাড়াকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি ছোটবেলা ৪ বছর বয়স থেকে ৬ মাস অন্তর ভেলোর CMC-তে ট্রিটমেন্ট করি। কিন্তু এখন ২০১৯ সাল থেকে হাঁটাচলা করতে পারি না। আমি চাইব আমার অসুস্থতার জন্য ট্রিটমেন্টের খরচ, ফিজিওথেরাপি প্রতিদিন হয়, যাতে আমি ফিজিওথেরাপিটা চালিয়ে যেতে পারি, আমি আস্তে আস্তে ভাল হব।’ মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে আশার আলো দেখছে দুই পরিবার।
Before You Go
SRFTI Clash: ABGP-র বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ ক্যাম্পাসের আবাসিক ছাত্রদের, "আমরাই আক্রান্ত" বলে পাল্টা অভিযোগ ABGP-র






















