Taratala Factory Collapse : 'ধ্বংসস্তূপের নীচে ৫০-৬০ জন', নির্মীয়মাণ গোডাউনের ছাদ ভেঙে ভয়ঙ্কর বিপর্যয় তারাতলায়
Taratala Disaster : ঘটনা ঘটার পর ৪ ঘণ্টারও বেশি সময় কেটে গেছে। এখনও বহু মানুষের আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে ভেতর থেকে।

কলকাতা : তারাতলায় ভয়ঙ্কর বিপর্যয়। ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ গোডাউনের ছাদ। ব্রেসব্রিজের কাছে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে নির্মীয়মাণ গোডাউনের এই ছাদ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি নেতা রাকেশ সিংহ। তিনি বলেন, "৫০ থেকে ৬০ জন ভেতরে আছে। ৫-৬ জন মারা গেছে সেটা ওপরে আমরা দেখতে পাচ্ছি। এটা গাফিলতি হয়েছে। শম্ভু বেরা বলে যে আছে এখানকার, যে বানাচ্ছিলেন, তাঁকে এখনই গ্রেফতার করতে হবে। সব মৃত্যুর এফআইআর করে ভেতরে রাখতে হবে।"
কীভাবে উদ্ধারকাজ ?
ঘটনা ঘটার পর ৪ ঘণ্টারও বেশি সময় কেটে গেছে। এখনও বহু মানুষের আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে ভেতর থেকে। এই মুহূর্তে উদ্ধারকাজ চলছে। সেনা, জাতীয় বিপর্যয় বাহিনী একসঙ্গে রয়েছে। এর পাশাপাশি রয়েছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল। বিভিন্ন জায়গায় গ্যাস কাটার দিয়ে বিম কেটে ভেতরে আটকে থাকা মানুষদের বের করার চেষ্টা হচ্ছে। অনেকেই এখনও আটকে রয়েছেন ভেতরে। কিন্তু, কী অবস্থায় তাঁরা রয়েছেন সেই বিষয়টি এখনও নিশ্চিত নয়। আবার কোনও কোনও অংশে ভার্টিকাল ড্রিল করে ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল। ওপরের দিক থেকে নীচের দিকে যাওয়ার পথ তৈরির করার চেষ্টা চলছে। এভাবে ভেতরে ঢুকতে পারলে বিপর্যয়ের ছবিটা অনেকটা স্পষ্ট হয়ে যাবে। সেইমতোই কাজ চলছে।
ইতিমধ্যে ৯ জনকে উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। এমনটাই খবর হাসপাতাল সূত্রের।
হাসপাতালে যাতে অতিরিক্ত ভিড় না হয় তা নিশ্চিত করতে ট্রমা কেয়ার বিল্ডিংয়ের সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সেখানে চিকিৎসক থেকে নার্স, সর্বক্ষণের জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। একের পর এক অ্যাম্বুলেন্সে তারাতলা থেকে আহত শ্রমিকদের নিয়ে ঢুকছে হাসপাতালে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের দ্রুত স্ট্রেচারে তুলে নিয়ে চলে যাওয়া হচ্ছে। ওটি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, তারাতলা থেকে এসএসকেএম পর্যন্ত যে রুট, সেই রুটে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। যাতে দ্রুত আহতদের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়।
ট্রমা কেয়ার সেন্টারের চিকিৎসক এবং এসএসকেএমের আধিকারিকরা প্রতি মুহূর্তে আহতদের মনিটরিং করছেন। কার কী শারীরিক অবস্থা, কার কী প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তৎপরতা চরমে।























