Debraj Chakraborty Arrest: অটোচালক থেকে প্রোমাটার - অভিযোগ, দেবরাজ বাহিনীর থেকে নিস্তার ছিল না কারও
Debraj Chakraborty TMC: তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে দেবরাজ চক্রবর্তী ও তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্টও।

কলকাতা : দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তোলাবাজি-সহ সমস্ত অভিযোগের তদন্তে এবার বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের SIT. ৮ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল খতিয়ে দেখবেন অভিযোগের খুঁটিনাটি। পুলিশ সূত্রে খবর, দেবরাজকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফের নোটিস পাঠানো হতে পারে বিধাননগর পুরসভার ৬ প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর ও ছায়াসঙ্গী তৃণমূল নেতাকে।
তৃণমূল আমলে তিনি ছিলেন বাগুইআটির বেতাজ বাদশা। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে সামনে রেখে, দেবরাজ চক্রবর্তী নাকি গড়ে তুলেছিলেন দুর্নীতির সাম্রাজ্য। অভিযোগ, বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পরিষদের এলাকায় উড়ত তোলাবাজির টাকা। সরকার বদলাতেই সেই দাপুটে তৃণমূল নেতার ঠাঁই হয়েছে এখন গারদে। এবার দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে সমস্ত মামলার তদন্ত করবে SIT।
অটোচালক থেকে প্রোমাটার - অভিযোগ, দেবরাজ চক্রবর্তীর বাহিনীর থেকে নিস্তার ছিল না কারও। পুলিশ সূত্রে খবর, ১০টি অভিযোগের মধ্যে ৮টি অভিযোগের ভিত্তিতে FIR দায়ের করা হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে তোলাবাজির মামলা ছাড়াও বাকি সব মামলারই তদন্ত করবে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের বিশেষ তদন্তকারী দল। শনিবার ৪ জুলাই দেবরাজ চক্রবর্তী ঘনিষ্ঠ ৭ জনকে তলব করে SIT. ডেকে পাঠানো হয় ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর বিনু মণ্ডল, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মণীশ মুখোপাধ্যায়, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর গোপাল বাগুই, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মাইকেল নস্কর ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সম্রাট বড়ুয়াকে। এছাড়াও হাজিরার নোটিস পাঠানো হয় দেবরাজ চক্রবর্তীর ছায়াসঙ্গী বলে পরিচিত তৃণমূল নেতা রতন মৃধাকেও। তবে SIT-এর তলবে এখনও পর্যন্ত সাড়া দেননি কেউ।
বারুইপুরে নাবালিকার দেহ উদ্ধারকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ১ অভিযুক্ত, ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২
রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারির অভিযোগ, 'যা ইস্যু আছে একটা PS-এর (থানা) পক্ষে সম্ভব না। মাল্টিপল PS (থানা) যুক্ত আছে এখানে। একই সাথে ED-রও উচিত বিষয়টার তদন্ত করা। আর্থিক তছরুপের অভিযোগের জন্য ED বেস্ট এজেন্সি। দেবরাজ চক্রবর্তী, অদিতি মুন্সি দু'জনের নামেই প্রপার্টি ছিল, দু'জনেই আর্থিক তছরুপ করেছে। কোত্থেকে এসেছে, কীভাবে এসেছে টাকা কেউ জানে না।' এক অটোচালকের অভিযোগ, 'টাকা পৌঁছত, এখানকার বিধায়কের কাছেই পৌঁছত। দেবরাজ, আসলে বিধায়ক তো উনিই ছিলেন।' এক প্রোমোটারের অভিযোগ, 'ফর্মুলাতে টাকা তুলত। সব দেবরাজ চক্রবর্তী তুলত।'
তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে দেবরাজ চক্রবর্তী ও তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্টেটমেন্টও। পুলিশ সূত্রে খবর, বিধানসভা ভোটের আগে, সিঙ্গল ও জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে যেখানে ৫টি ব্যাঙ্কে দেবরাজ-দম্পতি কোটি কোটি টাকার লেনদেন করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, সেই লেনদেন তথ্য নিয়ে বিস্তারিত জানতে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ সূত্রে খবর, দেবরাজ চক্রবর্তী ঘনিষ্ঠ ৭ জনকে ফের পাঠানো হতে পারে নোটিস।
Before You Go
Chok Bhanga 6ta: কালীঘাট-তৃণমূলের মিছিল ঘিরে বালিগঞ্জে ধুন্ধুমার। ফের কোর্টে গরহাজির অভিষেক























