West Bengal News: বাস্তবে জীবিত, সরকারি শংসাপত্রে মৃত! ভুয়ো ওয়ারিশন সার্টিফিকেট ইস্যু করার অভিযোগ তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে
West Bengal Update: অশোকনগরে ভুয়ো ওয়ারিশন সার্টিফিকেট ইস্যু করায় অভিযুক্ত হল তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান

কলকাতা: বাস্তবে জীবিত, অথচ সরকারি শংসাপত্রে মৃত! SIR আবহে, বারে বারেই জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ উঠেছে তালিকায়। বিভিন্ন জায়গায় ব়্যাম্পে 'মৃত' ব্যক্তিদের হাঁটিয়ে চমক লাগিয়ে দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তবে এবার, জমি হাতানোর লক্ষ্যে জীবিত দম্পতিকে খাতায় কলমে মৃত দেখানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে! যেখানে SIR -এ বারে বারে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগে সরব হয়েছে তৃণমূল, সেখানে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধেই জীবিতকে মৃত দেখানোর অভিযোগ!
অশোকনগরে ভুয়ো ওয়ারিশন সার্টিফিকেট ইস্যু করায় অভিযুক্ত হল তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান। জানা যাচ্ছে, সরকারি শংসাপত্রে জীবিত দম্পতিকে মৃত দেখিয়ে ওয়ারিশ হিসেবে অন্য লোককে দেখানো হয়েছে। আর সেটা হয়েছে, সম্পত্তি হাতানোর কারণে! জমি হাতানোর লক্ষ্যে জীবিত দম্পতিকে খাতায় কলমে মৃত দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্ষীয়ান দম্পতির অভিযোগ, ওই ওয়ারিশন সার্টিফিকেটে সই রয়েছে তৃণমূল প্রধান রফিকুল হাসানের। অভিযোগ সামনে আসতেই শোরগোল উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত পঞ্চায়েত প্রধানের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, তিনি কোনও শংসাপত্র ইস্যু করেননি। তাঁর স্বাক্ষর জাল করে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
ফরাক্কা বিডিও অফিসে SIR শুনানি চলাকালীন ভাঙচুর
ফরাক্কা বিডিও অফিসে SIR শুনানি চলাকালীন ভাঙচুর চালালেন তৃণমূল বিধায়কের অনুগামীরা। বিধায়ক মণিরুল ইসলামের উপস্থিতিতে চলে তাণ্ডব। বিডিওর ঘরের দিকে দল বেধে ধেয়ে যান খোদ তৃণমূল বিধায়ক! ঘরে ঢুকে রীতিমতো তাণ্ডব চালানো হয়। ধাক্কা মেরে খোলা হয় চেম্বারের দরজা! ভাঙচুর করা হয় আসবাবপত্র। মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা বিডিও অফিসে এই ঘটনার জেরে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় SIR-এর শুনানি। গতকাল শুনানি চলাকালীন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বিডিও অফিসে হাজির হন তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলাম। বিডিও অফিসের বাইরে স্লোগান দিতে থাকে তাঁরা। বিক্ষোভকারী তৃণমূল কর্মীসমর্থকদের অভিযোগ, SIR-এর নামে হয়রানি করা হচ্ছে।
ভাঙচুরের সময় ফরাক্কার বিডিও তাঁর চেম্বারে ছিলেন না। তবে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর চেম্বারে ভাঙচুর করা হয়েছে। এই নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পরে, ফারাক্কার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেন BDO। কিনতু, যেখানে তাণ্ডবের ছবি সামনে এসেছে, তৃণমূল বিধায়ক এবং তাঁর অনুগামীদের স্পষ্ট দেখা গেছে, তারপরও BDO-র তরফে FIR করা হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয়দের বিরুদ্ধে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, FIR-এর ভিত্তিতে ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে দাবি, ধৃত দুজনই তৃণমূলের কর্মী।
প্রশ্ন উঠছে, BDO অফিসে তৃণমূল বিধায়কের নেতৃত্বে একদল কর্মী সমর্থক ঢুকে ভাঙচুর চালাল, পুলিশ কেন বাধা দিল না? গোটা ঘটনার পর পাল্টা সাফাই দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক।






















