Tiljala Murder: পঞ্চান্নগ্রাম অটো স্ট্যান্ডের কাছে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার দেহ, আটক ব্য়বসায়ী
Unconscious Body Found:তিলজলায় পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। পঞ্চান্নগ্রাম অটো স্ট্যান্ডের কাছে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার দেহ। মৃতের নাম মিতেন্দ্র পাসওয়ান। হাসপাতালে নিয়ে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা: তিলজলায় পিটিয়ে খুনের (tiljala lynching) অভিযোগ। পঞ্চান্নগ্রাম অটো স্ট্যান্ডের কাছে (panchannagram auto stand) অচৈতন্য অবস্থায় (unconscious body recovery) উদ্ধার দেহ। মৃতের নাম মিতেন্দ্র পাসওয়ান। হাসপাতালে নিয়ে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, মিতেন্দ্রের দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সম্ভবত তাঁকে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে, অনুমান পুলিশের।
কী জানা গেল?
গোটা ঘটনা ঘিরে সকাল থেকে রহস্য দানা বাঁধে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের বয়স সাঁইত্রিশ বছর। কী ভাবে মৃত্যু হল, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গিয়ে পুলিশের দাবি মৃতের দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সম্ভবত তাঁকে কেউ বা কারা বিপুল মারধর করেছে বলে ধারণা। কিন্তু কারা এমন কাজ করল স্পষ্ট নয়। আপাতত যা জানা যাচ্ছে, তাতে এটা স্পষ্ট যে সকাল সাতটা নাগাদ তিনি বেরিয়েছিলেন। সাড়ে নটা নাগাদ তাঁকে ওই অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিলজলা থানায় মৃত ব্যক্তির নামে অভিযোগ দায়ের করেন এক ব্যক্তি। নিজেকে ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি জানান, মিতেন্দ্র ওই ব্যবসার সূত্রেই তাঁর বাড়ি গিয়েছিলেন। তিনি আরও জানান যে মিতেন্দ্রর সঙ্গে তাঁর কাজ নিয়ে গণ্ডগোল হয়েছিল। অভিযোগ, মিতেন্দ্র ওই ব্যক্তিকে ধাক্কা মারেন। পরবর্তীকালে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। ব্যবসায়ীর আরও অভিযোগ, তাঁর মাকেও ধাক্কা মারেন মিতেন্দ্র। পরে তিনিও মৃত ব্যক্তিকে মারধর করেন। বর্তমানে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে, ধারণা তাঁর ব্যাপক মারধরেই মৃত্যু হয়েছে মিতেন্দ্রের। প্রসঙ্গত, গত বছর জানুয়ারিতে এক ব্যবসায়ীর মরণঝাঁপ ঘিরে উত্তাল হয়েছিল তিলজলা।
কী ঘটেছিল?
সে বার তিলজলায় বহুতলের ছাদ থেকে মরণঝাঁপ দিয়েছিলেন এক ব্যবসায়ী। লকডাউন পর্বে ব্যবসায় মন্দার কারণেই আত্মহত্যা, প্রাথমিক তদন্তে অনুমান ছিল পুলিশের। মৃতের নাম সুরজ আগরওয়াল। স্থানীয় সূত্রে খবর, স্ত্রী, সন্তানকে নিয়ে বহুতলের পাঁচতলার ফ্ল্যাটে থাকতেন ওই ব্যবসায়ী। ঘটনার আগেই সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়িতে চলে যান স্ত্রী। ঘটনার দিন সকাল পৌনে ৬টা নাগাদ ভারী কিছু পড়ার আওয়াজ পেয়ে প্রতিবেশীরা ওই ব্যবসায়ীকে বহুতলের নীচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিত্সকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন:'AI এর যুগ, যা খুশি বানানো যায়, RRR দেখেননি?', দলবদলের জল্পনা ওড়ালেন হিরণ






















