WB Waterlog News: জলবন্দি সোনারপুরের একাধিক এলাকা, জল যন্ত্রণায় বিক্ষোভ পাণ্ডুয়ায়
Hooghly News: জমা জলে যন্ত্রণা, কার্যত জলবন্দি সোনারপুরের মিশন পল্লি। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মিশনপল্লিতে জলে ডুবেছে রাস্তাঘাট। হুগলির পাণ্ডুয়াতেও জল-যন্ত্রণা।

কলকাতা: কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আজও বৃষ্টির পূর্বাভাস। তবে বৃষ্টি কমলেও এখনও জল যন্ত্রণা কাটছে না। জলবন্দি সোনারপুরের একাধিক এলাকা। ভ্য়ান-রিকশয় বাড়তি ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করছেন অফিসযাত্রীরা। হুগলির পাণ্ডুয়ায় জমা জলে দুর্ভোগ।
জমা জলে যন্ত্রণা, কার্যত জলবন্দি সোনারপুরের মিশন পল্লি। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মিশনপল্লিতে জলে ডুবেছে রাস্তাঘাট। কোথাও কোমর সমান, কোথাও হাঁটু সমান জল। বাড়ির মধ্যেও জল ঢুকেছে। ঝুঁকি নিয়ে বেরোতে হচ্ছে মানুষকে। যাতায়াতের মাধ্যম সাইকেল ভ্যান। তার জন্য চড়া ভাড়া গুণতে হচ্ছে অফিসযাত্রীদের। স্থানীয়দের অভিযোগ, জমা জলে তাঁরা নরক যন্ত্রণা ভোগ করলেও প্রশাসনের কোনও হেলদোল নেই। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি। অন্যদিকে, হুগলির পাণ্ডুয়াতেও জল-যন্ত্রণা। মাঠপাড়া এলাকায় সব
বাড়িতেই জল ঢুকেছে। রাস্তাঘাটও জলের তলায়। জমা জলের প্রতিবাদে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পাণ্ডুয়ার সিমলাগড় বাজারে ভিটাসিন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় GT রোড অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশের আশ্বাসে একঘণ্টা পর অবরোধ ওঠে। স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন গ্রামবাসীরা। প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া এখনও মেলেনি।
গতকালই হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বন্য়া পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। হুগলির খানাকুল, আরামবাগের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ঘুরে দেখেন তিনি। আরামবাগে দুর্গত এলাকার একটি ত্রাণ শিবিরে নিজে হাতে খাবার পরিবেশন করেন। প্রতি বছর বর্ষা এলেই ঘাটালের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। দুঃসহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় সাধারণ মানুষকে। আর সেই সঙ্গে চর্চায় ফিরে আসে ঘাটাল মাস্টার প্ল্য়ানের প্রকল্প। যা দশকের পর দশক শুধু কথাতেই রয়ে গেছে। বাস্তবায়িত আর হয়নি। মঙ্গলবারও জলমগ্ন ঘাটাল বাজারে নেমে ঘাটাল মাস্টার প্ল্য়ান নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়ান মুখ্য়মন্ত্রী। একইসঙ্গে এদিন বন্য়া পরিস্থিতির জন্য ডিভিসির বিরুদ্ধে সুর চড়ান মুখ্য়মন্ত্রী। গতকাল মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, "ঘাটাল মাস্টার প্ল্য়ান সেন্ট্রালের করার কথা ছিল, ওরা ( কেন্দ্র সরকার) করেনি। কিন্তু আমরা ইতিমধ্য়ে দেড়হাজার কোটি টাকার প্ল্য়ান করেছি। যার মধ্য়ে এবছর বাজেটে ৫০০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। ঘাটাল পুরসভাকে টাকা দেওয়া হয়েছে। বর্ষার পরেই তাঁরা কাজটা শুরু করবে। আমি ২০২৬ এর নির্বাচনের পরে এই DVC-র জল আমাদের এখানে ছাড়লেই, কী করে DVC-র জল আটকানো যায়, তাঁর প্ল্য়ানিং আমরা করব। দরকার হলে আমাদেরও কয়েকটা ড্য়াম করতে হবে। ওদিকে জল ছাড়লে আমরাও আমাদের ড্য়াম দিয়ে অন্যদিকে দিকে পাস করব।''






















