Madhyamik Result 2025: 'ছিল না কোনও প্রাইভেট টিউটর', মায়ের গাইডেন্সেই মাধ্যমিকে অষ্টম, কলকাতায় সম্ভাব্য প্রথম অবন্তিকা
'কোনও র়্যাঙ্ক করতে হবে বলে পড়াশোনা করিনি। পরীক্ষার সময় তো একথা মাথাতেই ছিল না। ভালবেসে পড়াশোনা করে গিয়েছি।' বললেন ছাত্রী

রুমা পাল, কলকাতা : এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় মেধা তালিকা থেকে পাসের হার, এবারও জেলার জয়জয়কার। তারই মধ্যে অষ্টম স্থান অধিকার করেছে কলকাতার লেকটাউনের মেয়ে অবন্তিকা রায়। রামকৃষ্ণ সারদা মিশন সিস্টার নিবেদিতা স্কুলের ছাত্রী । ছোট থেকেই স্কুলের নিয়মানুবর্তিতায় পড়াশোনা করা। তাই আলাদা করে মেধাতালিকায় জায়গা পাওয়ার লক্ষ্যে নয়, ভাল ফল করার লক্ষ্য নিয়েই পড়াশোনা । কিন্তু এভাবে যে মেধাতালিকায় চলে আসবে সে, ভাবেনি। তাই রেজাল্ট ঘোষণা হতেই মুখে হাসি , চোখে জল। মা-ও আবেগবিহ্বল।
ভাল ফল করা, নিয়ম করে পড়াশোনা করার অভ্যেস তার চিরকালীন। মাধ্যমিকের আগে পড়াশোনা বেশি করতে হয়, স্বাভাবিক। কিন্তু ১০ ঘণ্টার বেশি কখনওই নয়। জানাল অবন্তিকা। বলল, খেলাধুলো, গল্পের বই পড়া, সবই ছিল। তার মধ্যে ছিল একাগ্রতা নিয়ে পড়াশোনা করা। তাতেই সাফল্য । 'কোনও র়্যাঙ্ক করতে হবে বলে পড়াশোনা করিনি। পরীক্ষার সময় তো একথা মাথাতেই ছিল না। ভালবেসে পড়াশোনা করে গিয়েছি।'
রাজ্যে অষ্টম, সম্ভবত কলকাতায় প্রথম স্থানাধিকারী সে। প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। স্বাভাবিকভাবেই আপ্লুত রামকৃষ্ণ সারদা মিশন সিস্টার নিবেদিতা স্কুলের ছাত্রী। খুশি অভিভাবকরাও। আর ভীষণ খুশি তার স্কুলও। ইতিমধ্যেই কৃতী ছাত্রীর ভাল রেজাল্টের কথা ভাগ করে নেওয়া হয়েছে স্কুলের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে।
কীভাবে পড়াশোনা? 'আমি একটানা ১০ ঘণ্টা পড়া বা এমন কিছু ব্যাপার ছিল না। পড়ার মাঝে মাঝে বোনের সঙ্গে খেলা, গল্পের বই পড়া, খেতে খেতে টিভি দেখা সবই ছিল। '
প্রিয় বিষয় ফিজিক্স। অঙ্ক পরীক্ষাও ভাল হয়েছিল। পরীক্ষার আগে টেনশন হয়নি। রেজাল্টের আগে টেনশন হয়েছিল। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? অবন্তিকার কথায়, পথ চলা অনেক বাকি। এটা তো সবে জীবনের প্রথম পরীক্ষা। তবে হ্যাঁ, পিয়র সায়েন্স নিয়েই পড়াশোনা করব।
অবন্তিকা জানালেন, কোনও বিষয়ে প্রাইভেট টিউটর ছিলেন না। মায়ের গাইডেন্সেই চলত পড়াশোনা। রামকৃষ্ণ সারদা মিশন সিস্টার নিবেদিতা স্কুলের ছাত্রীর কথায় অধ্যাবসায়ের বিকল্প কিছুই হয় না। আর এই হার্ড ওয়ার্ককে পাথেয় করেই আগামী পথে পা বাড়তে চায় ভগিনী নিবেদিতার প্রতিষ্ঠিত, শ্রী মা সারদার আশীর্বাদধন্য স্কুলের মেয়ে অবন্তিকা রায়।
মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল
মাধ্যমিক পরীক্ষার ৭০ দিনের মাথায় রেজাল্ট আউট হল। গতবারের তুলনায় বাড়ল পাসের হার। এবার মাধ্যমিকে পাসের হার ৮৬.৫৬ শতাংশ, গতবার তা ছিল ৮৬.৩১ শতাংশ। পাসের হারের নিরিখে শীর্ষে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর, ৯৬.৪৬ পারসেন্ট। পাসের হারের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কালিম্পং, ৯৬.০৯ পারসেন্ট। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা, ৯২.৩০ পারসেন্ট। চতুর্থ স্থানে রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর, ৯০.৫২ পারসেন্ট।
Education Loan Information:
Calculate Education Loan EMI






















