Fake Voter: রাজ্যের খোদ শাসক নেতার পরিবারেই এবার ৩ মৃত ভোটার ! গুরুতর অভিযোগ আসানসোলে
Asansol Fake Voter In TMC Leader Family: আসানসোলে তৃণমূল নেতার দাদা, বৌদি এবং ভাইপো মৃত, তবু ভোটার তালিকায় নাম !

পশ্চিম বর্ধমান : ভূতুড়ে ভোটার এবার আসানসোলে, শাসক নেতার পরিবারেই ৩ মৃত ভোটার! পুরভোটে ভূতুড়ে ভোটারদের ভোটও পড়ে যায়, স্বীকার আসানসোলের ৬২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা সৌমিত্র সেনগুপ্তর।
আরও পড়ুন, সিঙ্গুরে মৃত নার্সের নন্দীগ্রামে বাড়িতে শুভেন্দু, 'কেন আত্মহত্যা ? খুঁজে বের করতে হবে..'
তৃণমূল নেতার দাদা, বৌদি এবং ভাইপো মৃত, তবু ভোটার তালিকায় নাম। কাউন্সিলর-সহ সবাইকে জানানোর পরও নাম কাটা হয়নি, দাবি তৃণমূল নেতার।'৬২ নম্বর ওয়ার্ডে বিধানসভা-লোকসভা ভোটে লিড পায় বিরোধীরা'কিন্তু পুরভোটে লিড পায় শাসক দল, স্বীকার তৃণমূল নেতার। এই জন্যই সারা দেশে SIR চাই, দাবি ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলরের।
ভোটার তালিকায় মৃত ভোটারের ছড়াছড়ি! বারবার বলা হলেও নাম বাদ দেওয়া হয়নি! আর নাম ধরে ধরে মৃতদের পরিচয় দিচ্ছেন খোদ প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর ও বর্তমানে তৃণমূল নেতা। আজব ছবি পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে। এইজন্যই ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন চাই, বলছে বিজেপি।
ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন নিয়ে যখন রাজনীতিতে তোলপাড় চলছে, তখন বিস্ফোরক দাবি করলেন আসানসোলের তৃণমূল নেতা সৌমিত্র সেনগুপ্ত! তিনি আসানসোল পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর। সেই ২২ নম্বর ওয়ার্ড বদলে এখন ৬২। দিন বদলেছে, ওয়ার্ড বদলেছে। কিন্তু বদলায়নি ভোটার লিস্ট! দাদা, বৌদি, ভাইপো থেকে মামা, যারা বহু বছর আগে মারা গেছে, তাঁদের নাম এখনও ভোটার লিস্টে জ্বলজ্বল করছে!
প্রশ্ন : ভোটার লিস্টে দেখা যাচ্ছে যে এই যে সব্যসাচী সেনগুপ্ত, ইনি কে হন আপনার?
প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সৌমিত্র সেনগুপ্ত: ইনি আমার বড়দা।
প্রশ্ন :ঠিক তার পাশেই ঋত্বিক সেনগুপ্ত।
প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সৌমিত্র সেনগুপ্ত: আমার ভাইপো।
প্রশ্ন : মীরা সেনগুপ্ত?
প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সৌমিত্র সেনগুপ্ত: আমার বড় বৌদি।
প্রশ্ন : এরা তিনজনই কি জীবিত?
প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সৌমিত্র সেনগুপ্ত: না, তিনজনই মৃত।
প্রশ্ন : তবুও ওনাদের নাম ভোটার লিস্টে জ্বলজ্বল করছে।
প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সৌমিত্র সেনগুপ্ত: ২ বছর আগে জানিয়েছিলাম যে, এগুলো বাদ দেওয়ার জন্য। নাম কাটেনি। মলয় রায় আমার নিজের মামা। ২০১৪তে মারা গেছেন। এখনও নাম আছে। বাদ দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। কিন্তু কিছুতেই বাদ হচ্ছে না।
তৃণমূল নেতার আরও দাবি, এই বুথে মোট ভোটার ৯৩০-এর আশেপাশে, কিন্তু মধ্য়ে না কি একশো থেকে দেড়শো জন, এলাকাতেই থাকেন না! আসানসোল পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর সৌমিত্র সেনগুপ্ত বলেন, এখানে আমরা লোকসভায় লিড দিই, বিধানসভায় বিজেপি লিড দেয়, পুরসভায় কিন্তু কাউন্সিলর লিড দেয়।এবার কাউন্সিলর নাম কাটাননি। বিধানসভায় আমরা হারি, লোকসভায় হারি। কিন্তু পুরসভায় আমরা জিতি এখানে। এই লিস্টেই চলে। আমরা প্রচুর ভোটে লিড পাই। নিশ্চয়ই হয়। ভোটগুলো পড়ে। নিশ্চয়ই পড়ে। নইলে লিড হবে কেন? খোদ প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরের মুখে এ কথা শোনার পর, বিজেপি বলছে, এই কারণেই ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রয়োজন!






















