Suvendu Adhikari : সিঙ্গুরে মৃত নার্সের নন্দীগ্রামে বাড়িতে শুভেন্দু, 'কেন আত্মহত্যা ? খুঁজে বের করতে হবে..'
Suvendu On Hooghly Singur Nurse Mysterious Death: সিঙ্গুরে মৃত নার্সের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে আর্থিক সাহায্য শুভেন্দুর, কী বললেন বিরোধী দলনেতা ?

হুগলি: সিঙ্গুরে মৃত নার্সের দীপালি জানার নন্দীগ্রামে বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারী। মৃত নার্সের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে আর্থিক সাহায্য শুভেন্দু অধিকারীর। পুলিশ আত্মহত্যার তত্ত্ব দিলেও, কেন আত্মহত্যা, সেটাও সেটা খুঁজে বের করতে হবে, দাবি শুভেন্দু অধিকারীর।
আরও পড়ুন, রাতে বাড়ি থেকে বেরোতেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রের বুকে গুলি ! মর্মান্তিক ঘটনা মালদায়
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পুলিশই খুব উৎসাহিত তৎপর। সত্য উদ্ঘাটনের জন্য নয়, আত্মহত্যাটাকে খাঁড়া করার জন্য।তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন , তাহলে যাঁরা বলছিল, ধর্ষণ, খুন ইত্যাদি। প্রকাশ্যে ক্ষমা চাক। নাকে খৎ দিয়ে ক্ষমা চাক। রহস্যমৃত্যু!ময়নাতদন্ত নিয়ে টানাপোড়েন!এমনকী CBI তদন্তের দাবি! সিঙ্গুরে নার্সিংহোমে নার্সের রহস্যমৃত্যু ঘিরে গত এক সপ্তাহে চরমে উঠেছিল রাজনীতির পারদ! আর এবার, সেই ঘটনাতেই, তৃণমূলের তরফে দাবি,খুন নয়, আত্মহত্যাই করেছেন ওই তরুণী। কাজ যোগ দেওয়ার ৩ দিনের মাথায় বুধবার রাতে মৃত্যুর খবর পায় দীপালির পরিবার। সিঙ্গুরের নার্সিংহোমের ৪ তলার ঘরে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। যদিও, মৃত্যুর দিন থেকেই, মেয়েকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন তাঁর বাবা-মা।
মৃত নার্সের বাবা সুকুমার জানা বলেন,আমার মেয়েকে জোরপূর্বক ওরা খুন করেছে। তদন্ত চাই এবং দোষী নার্সিংহোম মালিকের সাজা চাই। যদিও সেই দাবি উড়িয়ে দেয় নার্সিং হোম কর্তৃপক্ষ। শিবম সেবাসদন নার্সিংহোম কর্মী সুদীপ্ত কর বলেন, অভিযোগ অস্বীকারের পার্টটুকুই রাখবে। বৃহস্পতিবার মেয়ের মৃত্যুর সঠিক বিচার পেতে বিক্ষোভে বসে পরিবার। সেখানে যোগ দেয় সিপিএম ও বিজেপি।এমনকী, মৃতদেহের ময়নাতদন্ত নিয়েও শুরু হয় আরেকপ্রস্থ অশান্তি।শেষমেষ পরিবারের দাবি মেনে কল্যাণী AIIMS-এই ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার দুপুরে, মৃত নার্সের বাড়িতে ফোন করেন এই মামলার তদন্তকারী অফিসার। তাদের দাবি, বুধবার গেলেই হাতে পাওয়া যাবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট।মঙ্গলবার, মৃত দীপালি জানার বাড়িতে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।কথা বলেন পরিবারের সঙ্গে।দীপালির বাবার হাতে তুলে দেন আর্থিক সাহায্য।
সেইসঙ্গে, ঘটনাস্থল থেকেই আত্মহত্যার প্ররোচণার অভিযোগ তোলেন তিনি। শুভেন্দু বলেন,যদি ধরেই নিই এটা আত্মহত্যা। পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আছে। তাও অত্যাচার উৎপীড়ণ এবং প্ররোচিত করে কার্যত বাধ্য করা হয়েছে এই মেয়েটিকে এই অবস্থায় নিয়ে যেতে। পশ্চিমবঙ্গের যে বেপরোয়া সংস্কৃতি চলছে, তার পরিণতিতে এই হত্যা বা আত্মহত্যা। অপরদিকে, তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, যারা এই কুৎসিত শকুনের রাজনীতি করতে চেয়েছিলেন, এখন নাকে খৎ দিয়ে ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমরা প্রথমেই বলেছিলাম, এটা পুলিশ প্রশাসন দেখছেন। তারপরে বলা হল, না এটা কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণাধিন হাসপাতালে পাঠাতে হবে। আমরা বলেছি যাক। কোনও কিছু তো লুকনোর নেই। এটা কোন রাজনীতি হচ্ছে? তারপর রাম আর বাম কুৎসিতভাবে রাস্তায় নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে বডি কে ছিনিয়ে যাবে সেই নিয়ে। ভাবা যায়? তো ওদের কথাতেই তো হল। কল্যাণী এইমস্। তারপর এখন এসেছে আত্মহত্যাই করেছেন। তাহলে যাঁরা বলছিল, ধর্ষণ, খুন ইত্যাদি। প্রকাশ্যে ক্ষমা চাক। নাকে খৎ দিয়ে ক্ষমা চাক।'






















