Election Commission: ভোটের প্রস্তুতিতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কমিশন
EC On Vote preparation: ভোটের প্রস্তুতিতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কমিশন, কী কী নির্দেশ ?

কলকাতা: ভোটের প্রস্তুতিতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কমিশন। বুথের ভিতরের পাশাপাশি এবার বাইরেও সিসিটিভি বসাতে নির্দেশ, খবর কমিশন সূত্রে।এতে বাইরে গন্ডগোল হলেই ব্যবস্থা নেওয়া যাবে, ব্যাখ্যা কমিশনের। বুথের ভিতরে সিসিটিভি এবং ওয়েবকাস্ট ব্যবস্থা আগেই ছিল। এবার বুথের বাইরেও বসছে সিসিটিভি, খবর কমিশন সূত্রে। বুথের বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রো অবজার্ভাররা।
আরও পড়ুন, ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে উড়ান বাতিল, প্যারিসে আটকে অভিনেত্রী সন্দীপ্তা
কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে এবার কড়া নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী কারও আতিথেয়তা যেন না নেয় বলে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হল কমিশনের তরফে। অন্যদিকে, ৬০ লক্ষ ভোটারের নিষ্পত্তি না হওয়া নিয়ে এবার স্ক্যানারে ERO, AERO-রা। সূত্রের খবর, এবার কেস টু কেস তুলে নির্বাচন কমিশনে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে CEO দফতরের তরফে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে গেছে। রাজ্যে জোরকদমে চলছে ভোটের প্রস্তুতি। সূত্রের খবর, ১৫ অথবা ১৬ মার্চ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে। নজিরবিহীনভাবে তার অনেক আগেই রাজ্যে চলে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি বাহিনী এসেছে পশ্চিমবঙ্গে। জেলায় জেলায় চলছে রুটমার্চ। নন্দীগ্রাম - জামুড়িয়া- পুরুলিয়া - ভাঙড়, এরই মধ্য়ে এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরকে কড়া নির্দেশিকা দেওয়া হল নির্বাচন কমিশনের তরফে। কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন কারও আতিথেয়তা না নেয়। তাদের নিয়ে কোনও অভিযোগ বরদাস্ত করা হবে না।স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল কমিশন। একইসঙ্গে এবার বুথে বুথে নজরদারি আরও কড়া হচ্ছে কমিশনের তরফে।
প্রতিটি বুথের ভিতরে তো বটেই, বুথের বাইরেও সিসি ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বডি–ক্যামেরা দেওয়ার কথাও আগে জানানো হয়েছিল।মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে সাহায্য় করার জন্য়। ভোটের জন্য়। ওরা এলাকায় যাবে, চিনবে, ঘুরবে। ওদের গাড়িতে GPS থাকবে। সেন্ট্রাল অবজার্ভার বলেছেন, বডি ক্য়াম থাকবে। কোথায় কী ঘটছে না ঘটছে রোজ, সব আমাদের কাছে ফিডব্য়াক থাকবে।' বুথের ভিতরে হোক বা বাইরে, গন্ডগোল দেখামাত্র ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও, বুথের বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রো অবজার্ভাররা।
নির্বাচন কমিশনের নজরে থাকছেন ERO, AERO-রাও।চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ৬০ লক্ষ ভোটারের নিষ্পত্তি না হওয়া নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।সূত্রের খবর, এবার কেস টু কেস তুলে নির্বাচন কমিশনে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে CEO দফতরের তরফে। একাধিক অসঙ্গতির কথা তুলে ধরা হয়েছে সেই রিপোর্টে।যেমন তুলে ধরা হয়েছে জনৈক রহমান নামে এক ভোটারের নাম। যাঁর ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে ৭ প্রজন্ম ধরে একই ঠিকানায় বাস করছে তাঁর পরিবার। একই বুথে ভোটও দিচ্ছে।অথচ তাঁর নাম বিবেচনাধীন হিসাবে দেখানো হয়েছে। দেখা গেছে, তিনি শুনানিতে হাজিরা দিয়ে নথি দিলেও তা আপলোডই করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে, পর্যবেক্ষকদের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কেন ERO, AERO-দের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না? ERO, AERO-দের ভূমিকার পাশাপাশি, রাজ্যে বুথ প্রস্তুতি নিয়েও অসন্তুষ্ট নির্বাচন কমিশন।























