Coal Scam Case: ভোটের আগে কয়লা কেলেঙ্কারিতে বিরাট তথ্য ফাঁস! পুলিশের সামনে দিয়ে এভাবেই টাকা-পাচার!
ED Coal Scam: ED-র এই প্রেস বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, তারা প্রায় ১৬০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। এই নিয়ে মোট বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়াল ৪৮২ কোটি টাকা।

কলকাতা: ভোটের ঠিক মুখে কয়লা-কেলেঙ্কারির তদন্তে সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কয়লা পাচারের তদন্তে প্রায় ১৬০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত। বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মোট বাজেয়াপ্ত হয়েছে ৪৮২ কোটি টাকার সম্পত্তি, প্রেস বিবৃতিতে দাবি ED-র। এই কয়লাকাণ্ডেই চিন্ময় মণ্ডল, কিরণ খান-সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে ED। এই ৫ জনকে গত ৯ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করা হয়েছিল।
ED-র এই প্রেস বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, তারা প্রায় ১৬০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে। এই নিয়ে মোট বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়াল ৪৮২ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে কয়লাকাণ্ডে তাদের তদন্তের অভিমুখ স্পষ্ট করে দিয়েছে ED... তাদের প্রেস বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, দুর্নীতির তদন্তে আন্ডারগ্রাউন্ড হাওয়ালা নেটওযার্কের হদিশ মিলেছে। কালো টাকা কোথা থেকে কোথায় পৌঁছেছে, সেটা লুকোতে বিভিন্ন স্তরে, জটিল প্রক্রিয়ায় লেনদেন করা হয়েছে। তার পর্দাফাঁস করতে এই তদন্ত চালানো হচ্ছে। যাতে এটা জানা যায় যে - মূল সুবিধাভোগী কারা? কত টাকার দুর্নীতি হয়েছে? আর এই আর্থিক তছরুপে কারা কারা জড়িত?
ED-র এই প্রেস বিবৃতিতে ফের উঠে এসেছে লালার নাম। প্রেস বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় এজেন্সি দাবি করেছে, বেআইনি কয়লা পাচারের এই অপারেশন চালাত অনুপ মাজি ওরফে লালার সিন্ডিকেট।কয়লা পাচারের মোডাস অপারেন্ডি হিসেবে ব্য়বহার করা হত বেআইনি চালান। পাচারকারীদের কাছে যার নাম ছিল 'লালা প্য়াড'। ED-র দাবি, এই 'লালা-প্য়াড' আসলে ছিল একটা ভুয়ো বিল। এমন সব ব্য়ক্তির নামে এই বিল করা হত, যার বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই।
প্রেস বিবৃতিতে ED-র দাবি, পাচারকারীদের এই বেআইনি চালানের পাশাপাশি একটা ১০ বা ২০ টাকার নোট দেওয়া হত। সেই গাড়িতে কয়লা পাচার হবে, তার নম্বর প্লেটের পাশে সেই নোট ধরে ছবি তোলা হত। পাচারকারী সেই ছবি পাঠিয়ে দিত কয়লা সিন্ডিকেটের অপারেটরকে। অপারেটর আবার সেই ছবি পাঠাত ট্রাক যে রুটে যাবে, সেখানকার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকদের। অর্থাৎ কোন গাড়িতে কয়লা পাচার হবে, তা আগে থেকেই জেনে যেত পুলিশ-প্রশাসন। ED-র প্রেস বিবৃতিতে দাবি, এরপর সেই গাড়িকে আর কোথাও আটকানো হত না। আটকানো হলেও সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দেওয়া হত। ED-র তরফে প্রেস বিবৃতিতে স্পষ্ট দাবি করা হয়েছে, আর্থিক দুর্নীতি বিশেষ করে বেআইনি কয়লা পাচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে ED বদ্ধপরিকর।























