Agnimitra Paul: 'চিরকাল তো বাসে-ট্রামেই যাতায়াত করেছি', জ্বালানি সাশ্রয় নিয়ে বড় বার্তা পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রার
Fuel Savings: গণ পরিবহণে, বাসে-ট্রামে, যাতায়াত করতে পারবেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। জবাবে মন্ত্রী বলছেন, 'অবশ্যই। চিরকাল তো বাসে-ট্রামেই যাতায়াত করেছি।'

কলকাতা : জ্বালানি সাশ্রয় নিয়ে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার জ্বালানি সাশ্রয় নিয়ে বড় বার্তা দিলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেছেন, 'সঙ্কটটা অনেক বড়। মেসেজটা দেওয়া দরকার মানুষকে। যাঁদের ২টো গাড়ি, ৩টে গাড়ি, একাধিক গাড়ি রয়েছে, তাঁরা একদিন অন্তত বাসে যাতায়াত করুন। মেট্রোয় যাতায়াত করুন। আমাদের যে তেল, পেট্রোল-ডিজেল একদিন, অন্তত কম খরচ হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে আবেদন করেছেন আমাদের কাছে, সব মানুষের কাছে যে... সিএনজি যানবাহন ব্যবহার করা হোক, কনভয় কম করা হোক, সত্যিই ভাবার বিষয়। বাড়ি, গাড়ি, ব্রিজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসা - সবই থাকবে যদি পৃথিবীটা থাকে। আমরা হয়তো মরে যাব... আমাদের সন্তানরা ঠিক ভাবে বাঁচতে পারবে তো...'
গণ পরিবহণে, বাসে-ট্রামে, যাতায়াত করতে পারবেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। জবাবে মন্ত্রী বলছেন, 'অবশ্যই। চিরকাল তো বাসে-ট্রামেই যাতায়াত করেছি। যখন আসানসোলে থাকতাম কলেজে যেতাম, পাবলিক বাসে যেতাম গুঁতো খেতে খেতে। তারপর কলকাতায় এলাম। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাশন ডিজাইনিং পড়তাম, তখনও বাসে গুঁতো খেতে খেতেই যেতাম। এখন হয়তো কেউ গুঁতোটা মারতে সাহাস পাবে না। অসুবিধা হলে যাব।'
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার একাধিক TMC নেতা, শুরু থেকেই সরকারের 'অ্যাকশন' মোড চালু
জ্বালানি সাশ্রয় নিয়ে বার্তার পরেই প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কনভয়ে কমল গাড়ি। অন্তত ৫০% কমানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কনভয়ে থাকা গাড়ির সংখ্যা, খবর সূত্রের। প্রধানমন্ত্রীর কনভয়ে ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে বৈদ্যুতিন গাড়ির সংখ্যা। অমিত শাহের কনভয়েও গাড়ির সংখ্যাও কমানো হল। কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমালেন শুভেন্দু অধিকারীও।
বেআইনি টোলপ্লাজা বন্ধ করার নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার
বেআইনি টোলপ্লাজা বন্ধ করার নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। এই মর্মে নোটিস জারি করা হয়েছে। সব জেলার জেলাশাসককে এই নিয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের সব অবৈধ টোলপ্লাজা ও ব্লক গেট চিহ্নিত করে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অনুমতি ছাড়া সেগুলো যাতে ফের চালু না করা হয় সেদিকে নজররাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অবৈধভাবে টোল আদায় বন্ধ করতেও পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের সব বৈঠ টোল প্লাজা কর্তৃপক্ষের নামও টেন্ডার মেয়াদ খতিয়ে দেখা হবে। রাজ্যের সব বৈধ ও অবৈধ টোলপ্লাজা চিহ্নিত করে ১৫ তারিখের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে।






















