Panchayat Law: 'পঞ্চায়েত প্রধানদের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হবে সমস্ত আর্থিক ক্ষমতা', বড় আইন আসছে রাজ্যে
ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি সরকার গোটা পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কলকাতা: পঞ্চায়েতের দুর্নীতি রুখতে কঠোর আইন আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। 'পঞ্চায়েত প্রধানদের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হবে সমস্ত আর্থিক ক্ষমতা', পরিবর্তে পঞ্চায়েতের সচিবদের হাতে তুলে দেওয়া হবে দায়িত্ব'। আগামী শনিবার চলতি বিধানসভার অধিবেশনে পঞ্চায়েতের দুর্নীতি রুখতে কঠোর আইন আনতে চলেছে রাজ্য সরকার।
পঞ্চায়েত সচিব এবং পঞ্চায়েত প্রধান একসঙ্গে সই করে লেনদেনের প্রক্রিয়া সামলাতেন। নিয়ম অনুযায়ী ২ জনের সই ছাড়া কোনওদিন বিল বা চেক পাস করানো যেত না।
কয়েক বছর ধরেই পঞ্চায়েত ক্ষেত্রে ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে উঠে এসেছে। ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি সরকার গোটা পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারই প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আর্থিক ক্ষমতা রদবদলের এই বিল। পঞ্চায়েত স্তরে এই চুরি রুখতেই বিল আনা হচ্ছে, জানালেন দিলীপ ঘোষ।
গ্রামের মানুষদের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে গড়ে তোলা হয়েছিল ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। আর্থিক লেনদেন সহ এলাকার উন্নয়নের একাধিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল পঞ্চায়েত প্রধান এবং তার সদস্যদের। রাজ্য প্রকল্প তো বটেই এমনকি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকাও সরাসরি পাঠান হয় পঞ্চায়েত দফতরে। এতদিন নিয়ম ছিল, দুজনের সই ছাড়া কোনদিন বিল বা চেক পাশ করানো যেত না। কিন্তু বেশ কয়েকবছর ধরেই পঞ্চায়েত ক্ষেত্রে ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে উঠে আসতে শুরু করে। এই মুহূর্তে বেশ কয়েকজন পঞ্চায়েত প্রধান আর্থিক দুর্নীতির কারণে জেলে।
ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি সরকার গোটা পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত দিয়েছে। আর তারই প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আর্থিক ক্ষমতা রদবদলের এই বিল। পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, পঞ্চায়েত স্তরে এই চুরি রুখতেই এই বিল আনা হচ্ছে। পঞ্চায়েত প্রধানের হাতে আর কোনো আর্থিক ক্ষমতা থাকবে না। দায়িত্বে থাকবেন সচিবরা। তারাই আর্থিক বিষয়গুলি সামলাবেন।























