Saayoni Ghosh: সংগঠন মজবুত করতে পারিনি, নেত্রীর কাছে ক্ষমা চাইলেন সায়নী ঘোষ
West Bengal: তৃণমূল নেত্রীর কাছে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী সায়নী ঘোষ।

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) দলীয় বৈঠকে নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ক্ষমা চাইলেন সায়নী ঘোষ। 'সংগঠন মজবুত করতে পারিনি,' তৃণমূল নেত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়ে বললেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভানেত্রী সায়নী ঘোষ।
সাগরদিঘিতে বিপর্যয়ের পর তৃণমূল নেত্রীর রোষে দলের দুই সাংসদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোষে তৃণমূল সাংসদ খলিলুর রহমান ও আবু তাহের খান। শুক্রবারের বৈঠকে মমতা দুজনের উদ্দেশে বলেন, 'আপনারা অধীর চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগে আছেন।' মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুরের সাংসদের উদ্দেশে তৃণমূল নেত্রীর মন্তব্য শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
সূত্রের খবর, সাগরদিঘির রিপোর্ট কার্ডে তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষের উল্লেখ রয়েছে। 'প্রয়াত সুব্রত সাহার ছেলেকেই টিকিট দিতাম। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ থাকায় টিকিট দিতে পারিনি,' বৈঠকে মন্তব্য তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
সাগরদিঘির উপনির্বাচনে পরাজয়ের পর চারিদিকে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এমনকী, দলের অন্দরেও শুরু হয়ে গিয়েছে তুমুল চর্চা। যদিও সাগরদিঘি উপনির্বাচনে হার নিয়ে আত্মবিশ্লেষণে বসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যাখ্যা, সংগঠনের দুর্বলতার কারণেই এই পরাজয়। সংখ্যালঘু ভোট কমার তত্ত্ব খারিজ করে দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার কালীঘাটে দলীয় বৈঠকে মমতা বলেছেন, 'সংখ্যালঘুরা আমাদের সঙ্গে আছে, সংখ্যালঘু ভোট কমেনি। সাগরদিঘিতে হার হয়েছে নিজেদের দুর্বলতার কারণে।'
কালীঘাটের বৈঠকে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার মধ্যে অন্যতম, এবার শিক্ষক সংগঠনের দায়িত্বে আনা হয়েছে ব্রাত্য বসুকে। পাশাপাশি ১৯৯০ থেকে ২০১১ পর্যন্ত বাম আমলে কারা কারা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপত্র পেয়েছেন, ব্রাত্য বসুকে তার তালিকা বানাতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মমতা বলেছেন, 'দুর্নীতি তদন্ত আদালতে বিচার চলছে, আইনি প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করি না। সিপিএম-কংগ্রেস-বিজেপি একজোট হয়ে অপপ্রচার করছে। হাতে হাত মিলিয়েছে, কোনও চিন্তা করবেন না, হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করুন।'
কালীঘাটের বৈঠকে দলীয় কর্মীদের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ক্ষোভের মুখে পড়েন তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হাজি নুরুল ইসলাম। হাজি নুরুল ইসলামকে সরিয়ে সভাপতি করা হল মোশারফ হোসেনকে।
বীরভূম দেখবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজেই আগে তা জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী। শুক্রবার কালীঘাটে বৈঠক শেষে ফের তা জানিয়ে দিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এদিন সাংবাদিক বৈঠর করেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁরা জানান, অবর্জারভার বা পর্যবেক্ষক নয়, বেশ কয়েকটি জেলা দেখবেন দলীয় নেতারা। যার মধ্যে দার্জিলিং-বর্ধমানের পাশাপাশি নদিয়াও দেখবেন অরূপ বিশ্বাস। হাওড়া-হুগলির দায়িত্বে ফিরহাদ হাকিম। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান দেখবেন মলয় ঘটক। দক্ষিণ দিনাজপুর দেখবেন তাপস রায়।
আরও পড়ুন: West Burdwan: কৃতিত্ব নিয়ে শুরু দড়ি টানাটানি, এক কাজের জোড়া শিলান্য়াস দুর্গাপুরে






















