Midnapore College: ভর্তি ঘিরে তুলকালাম, মেদিনীপুর কলেজে SFI-TMCP হাতাহাতি
West Midnapore News: সবে শুরু হয়েছে কলেজে ভর্তির ফর্ম ফিলআপ। তাতেই পাল্লা দিয়ে চড়তে শুরু করেছে রাজনৈতিক অশান্তির পারদ।

সৌমেন চক্রবর্তী, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর কলেজে ভর্তি নিয়ে তুলকালাম। TMCP-SFI-র মধ্যে বচসা-হাতাহাতি। গতকাল থেকে শুরু হয়েছে ভর্তির কাউন্সেলিং। কলেজের বাইরে তাঁবু খাটিয়ে চলছে নতুন সদস্য সংগ্রহ অভিযান। বহিরাগত ঢোকানোর অভিযোগ দুই পক্ষেরই।
সবে শুরু হয়েছে কলেজে ভর্তির ফর্ম ফিলআপ। তাতেই পাল্লা দিয়ে চড়তে শুরু করেছে রাজনৈতিক অশান্তির পারদ। মেদিনীপুর কলেজে শুরু হয়েছে ভর্তি প্রক্রিয়া। চলছে কাউন্সেলিং। কলেজের বাইরে ক্য়াম্প করে হেল্প ডেস্ক করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠন। কাউন্সেলিং চলাকালীনই সেই ক্য়াম্প থেকেই সদস্য সংগ্রহ অভিযান ঘিরে SFI ও TMCP সদস্যদের বচসা ও হাতাহাতি ঘিরে বাধল ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। দু'পক্ষই পরস্পর বহিরাগতদের নিয়ে অশান্তি পাকানোর অভিযোগ তোলে। মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, "কলেজে গত ২ দিন ধরে ভেরিফিকেশন হচ্ছে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের সহায়তা করছে। এই সহায়তাতে কিছু বহিরাগত স্টুডেন্ট যারা মেদিনীপুর কলেজে পড়ত, ওরা এসে কলেজের ভেতরে ঢুকে স্টুডেন্টদের প্রভাবিত করছে।'' মেদিনীপুর কলেজের SFI নেত্রী শাঁওলি দত্ত বলেন, "একটা মেয়ে সে কলেজে ঢুকতে যাচ্ছে, টিএমসিপিরা তাঁদের উপর এমন জোর জবরদস্তি করছে সে কান্না করে ভেতরে ঢুকতে চেষ্টা করছে। আমরা থার্ড ইয়ারের স্টুডেন্ট। আমাদের বহিরাগত বলছে।''
এদিকে ইতিহাস প্রশ্ন নিয়ে বিতর্কের পর এবার রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরীক্ষা বাতিল ঘিরে বিতর্ক তৈরি হল বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। এদিন বাতিল হয়ে গেল ষষ্ঠ সিমেস্টারের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরীক্ষা। সূত্রের খবর, শুক্রবার পরীক্ষা হওয়ার পর, পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয়। কর্তৃপক্ষ জানায়, সিলেবাসের বাইরে প্রশ্ন থাকায় পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। ওমেন পাওয়ার অ্যান্ড পলিটিক্স বিষয়ে ক বিভাগে ১০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হয়। যেখানে ৬ নম্বর প্রশ্ন ছিল- নাগরিক কে? তার পরের প্রশ্নে, নাগরিকতা অর্জনের উপায়গুলি উল্লেখ করতে বলা হয়। ৯ নম্বর প্রশ্ন ছিল, বিশ্ব নাগরিকের ধারণা কী? ১০ নম্বরে জানতে চাওয়া হয়, মার্শালের মতে নাগরিকের তিনটি উপাদান কী কী? ১২ নম্বর প্রশ্ন ছিল, অবৈধ অভিবাসী কারা? ১৫ নম্বর প্রশ্নটিও সিলেবাস বহির্ভূত বলে অভিযোগ। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরীক্ষার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, ক বিভাগের ১৫টি প্রশ্নের মধ্যে এই ৬টিই সিলেবাস বহির্ভূত। শুধু তাই নয়, খ ও গ বিভাগেও সিলেবাসের বাইরে থেকে প্রশ্ন এসেছে বলে অভিযোগ। এরপরই পরীক্ষা বাতিলা করা হচ্ছে বলে ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।






















